অবশেষে সুরুজ মারা গেলেন

আপডেট : ২৭ এপ্রিল ২০১৩, ২৩:০৪
অবশেষে আটকেপড়া গার্মেন্টস শ্রমিক সুরুজ (২৫) মারা গেছে। বাঁচার জন্য বহু আকুতি করেছিলেন। এদিকে উদ্ধারকারী কর্মীরা তাকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করার জন্য বহু চেষ্টা করেছিলেন। অবশেষে উদ্ধারকারী দল সুরুজকে উদ্ধার করতে পারেনি। গত শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টায় আটকেপড়া অবস্থায় সুরুজ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। ঐ দিন বেলা ২টায় উদ্ধার কর্মীরা চিত্কার শুনতে পান যে, ভাই আমাকে উদ্ধার করেন। ভবনের পিছনে ৫তলা সুড়ং করে উদ্ধার কর্মীরা সুরুজের কাছাকাছি পর্যন্ত যান। দেয়াল ছিদ্র করে তাকে জুস, স্যালাইন, পানি খেতে দেন উদ্ধারকারী কর্মীরা। সংবাদ পেয়ে ইত্তেফাকের প্রতিনিধি তার কাছে যান। ঐ সময় সুরুজ সাংবাদিক পরিচয় জেনে বলে উঠেন, ভাই আমাকে বাঁচান, আমার জীবন শেষ হয়ে যাচ্ছে। তার এ শেষ আবেদন গতকাল দৈনিক ইত্তেফাকে প্রকাশিত হয়েছে। সন্ধ্যার পর হঠাত্ একটি বিম সুরুজের কোমরের উপর চাপা পড়ে। তার দুই পা গুঁড়া হয়ে থেঁতলে যায়। তখনও চিত্কার করে সুরুজ বলেন, ভাই আমাকে কেটে বের করুন। উদ্ধারকারী কর্মী আহাদ জানান, তার এ শেষ আবেদন শুনে উদ্ধারে গিয়ে কর্মীরা সুড়ং করার চেষ্টা করেন। তাও সম্ভব হয়নি। অবশেষে সাড়ে ১১টার দিকে সুরুজের আর কোন সাড়াশব্দ শুনতে পাননি উদ্ধারকারী কর্মীরা। দেয়ালের ছিদ্র দিয়ে দেখতে পান সুরুজ আর বেঁচে নেই। গার্মেন্টস কর্মী সুরুজের বাড়ি বগুড়ায়।