ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির (জীবন বীমা বাদে) কর্পোরেট করহার বিদ্যমান সাড়ে ৪২ শতাংশ থেকে কমিয়ে সাড়ে ৩৭ শতাংশ করার প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন (বিআইএ)। সেই সাথে জীবন বীমা কোম্পানির আয়কর ১৫ শতাংশ করার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। গতকাল রবিবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সম্মেলন কক্ষে প্রাক বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে বিআইএ’র পক্ষ থেকে সংগঠনের সভাপতি শেখ কবির হোসেন এ প্রস্তাব তুলে ধরেন। এনবিআর চেয়ারম্যান গোলাম হোসেন এতে সভাপতিত্ব করেন। প্রস্তাবে ভারতের বীমা কোম্পানির কর হারের তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরে এ খাতের উন্নয়নে কর কমানোর যুক্তি তুলে ধরা হয়।
বীমা কমিশনে উেস ৫ শতাংশ হারে কর কর্তনের বিধান বাতিল করে ব্যক্তিশ্রেণীর করদাতাদের মত করমুক্ত আয়সীমা অতিক্রম করলে কেবল কর আরোপের প্রস্তাব করা হয়। প্রস্তাবে বলা হয়, যে কোন অংকের কমিশনের ৫ শতাংশ হারে উেস কর আরোপের ক্ষেত্রে এজেন্ট এবং বীমা শিল্প ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এর ফলে বীমা ব্যবসা বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশংকা করা হয়। বর্তমানে ব্যক্তিশ্রেণীর করমুক্ত আয়সীমা ২ লাখ টাকা। এর অর্থ অতিক্রম করলেই কেবল এজেন্টদের উপর কর আরোপের প্রস্তাব করা হয়।
এছাড়া স্টক এক্সচেঞ্জে নিবন্ধিত শেয়ার লেনদেনে অর্জিত আয়ের উপর গেইন টেক্স বিদ্যমান ১০ শতাংশের পরিবর্তে ৫ শতাংশ, উদ্যোক্তা অংশীদার বা পরিচালকদের অর্জিত আয়ের উপর কর বিদ্যমান ৫ শতাংশের স্থলে ৩ শতাংশ করা, বীমা এজেন্ট বা কর্মীর লাইসেন্স নবায়ন ফি ৫০০ টাকা থেকে কমিয়ে ৫০ টাকা করা, বীমা আইনে অননুমোদনযোগ্য খরচের অতিরিক্ত দাবিকৃত খরচ অনুমোদন দেয়ার প্রস্তাব করা হয়।
আলোচনায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এনবিআর সদস্য ফরিদ উদ্দিন, সৈয়দ আমিনুল করীম ও ব্যারিস্টার জাহাঙ্গীর হোসেন প্রমুখ।
