বিসিএস কর্নার

বাংলাদেশের নদ-নদী

আপডেট : ২৯ এপ্রিল ২০১৩, ১৯:২৯
৩৪ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী বন্ধুদের প্রস্তুতিতে সহায়তা করার জন্য বিসিএস কর্নারে আজ বাংলাদেশ প্রসঙ্গে বাংলাদেশের নদ-নদী বিষয়ে লিখেছেন নলেজ পিডিয়ার লেখক সিএম মিরাজুল ইসলাম। এই কর্নারে আপনারা পাবেন বিসিএস প্রস্তুতি সংক্রান্ত যাবতীয় টিপস, পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় তথ্য। আশা করি বিসিএস কর্নার আপনার প্রস্তুতিকে সমৃদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী প্রণালী –– সুরমা-মেঘনা নদী প্রণালী সুরমা-মেঘনা নদী প্রণালীর দৈর্ঘ্য –– ৬৬৯ কি.মি. নদী সম্পর্কিত বিদ্যাকে বলে –– Potomology বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম নদী –– গোবরা জোয়ার-ভাটা হয় না –– গোমতী নদীতে বাকল্যান্ড বাঁধ অবস্থিত –– বুড়িগঙ্গা ভারত-বাংলাদেশকে বিভক্তকারী নদী –– হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর নামে নামকরণকৃত বাংলাদেশের একমাত্র জেলা –– ফেনী মানুষের নামে নামকরণ করা হয়েছে–– রূপসা নদীর নদী সিকস্তি –– নদীর ভাঙনে সর্বস্বান্ত জনগণ নদী পয়স্তী –– যারা নদীর চর দখল করে চাষাবাদ করতে যায় বাংলাদেশের অধিকাংশ নদীর উত্পত্তি –– ভারতে চলন বিলের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত নদী –– আত্রাই তিনবিঘা করিডোর অবস্থিত –– তিস্তা নদীর তীরে দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ অবস্থিত –– হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায় সুন্দরবনে বাংলাদেশ ও ভারতের সীমানা নির্ধারণকারী নদী –– হাড়িয়াভাঙ্গা ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে অভিন্ন নদী –– ৫৪টি [যৌথ নদী কমিশন] বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশকারী একমাত্র নদী –– কুলিখ গঙ্গা নদী প্রবাহিত –– ৪টি দেশের মধ্য দিয়ে গঙ্গা নদীর একমাত্র উপনদীর নাম –– মহানন্দা বাংলাদেশের একমাত্র আন্তর্জাতিক নদী –– পদ্মা ব-দ্বীপের প্রধান নদী–– পদ্মা পদ্মা নদী যমুনার সাথে মিলিত হয়েছে –– গোয়ালন্দ (রাজবাড়ি) পদ্মা নদী মেঘনার সাথে মিলিত হয়েছে –– চাঁদপুরে মাওয়া ফেরিঘাট অবস্থিত ––পদ্মা নদীর তীরে কাওরাকান্দি ফেরিঘাট অবস্থিত –– শিবচর, মাদারীপুর বাংলাদেশের বৃহত্তম নদী –– মেঘনা বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী –– মেঘনা বাংলাদেশের গভীরতম নদী –– মেঘনা বরাক ও সুরমা নদীর সম্মিলিত প্রবাহের নাম –– মেঘনা নিঝুম দ্বীপ অবস্থিত –– মেঘনা নদীতে মেঘনা নদী ব্রহ্মপুত্রের সাথে মিলিত হয়েছে –– ভৈরববাজার ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্টি হয়েছে ––যমুনা নদী চরের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি –– যমুনা নদীতে ব্রহ্মপুত্র নদের পূর্ব নাম –– লৌহিত্য বুড়িগঙ্গা নদীর পূর্ব নাম –– দোলাই খাল বাকল্যান্ড বাঁধ নির্মাণ করা হয় –– ১৮৬৪ সালে সুরমা ও কুশিয়ারা পুনরায় মিলিত হয়ে নাম ধারণ করেছে –– কালনি বাংলাদেশের একমাত্র খরস্রোতা নদী–– কর্ণফুলি কৃত্রিম হ্রদ তৈরি করা হয়েছে –– কর্ণফুলি নদীতে বাঁধ দিয়ে চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর অবস্থিত –– কর্ণফুলি নদীর তীরে বাংলাদেশের জলসীমায় উত্পত্তি এবং সমাপ্ত একমাত্র নদী –– হালদা প্রাকৃতিকভাবে মাছের পোনা উত্পন্ন হয়–– হালদা নদীতে মিয়ানমার-বাংলাদেশকে বিভক্তকারী নদী–– নাফ নাফ নদীর দৈর্ঘ্য –– ৬৪ কিলোমিটার মিয়ানমার ও বাংলাদেশকে পৃথক করেছে –– নাফ নদী টেকনাফ অবস্থিত –– নাফ নদীর তীরে বর্তমানে নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত --হারুকান্দি, ফরিদপুর প্রধান প্রধান নদ-নদীর সম্মিলিত প্রবাহ নাম নদী প্রবাহ মিলিতস্থল পদ্মা+মেঘনা মেঘনা চাঁদপুর পদ্মা+যমুনা পদ্মা গোয়ালন্দ (রাজবাড়ি) দৌলতদিয়া (কুষ্টিয়া) সুরমা+কুশিয়ারা কালনী আজমিরিগঞ্জ সুরমা+কুশিয়ারা মেঘনা ভৈরববাজার মেঘনা+ব্রহ্মপুত্র মেঘনা ভৈরববাজার রূপসা+পশুর ভৈরব খুলনা ব্রহ্মপুত্র+তিস্তা ব্রহ্মপুত্র চিলমারি, কুড়িগ্রাম হালদা+কর্ণফুলি কর্ণফুলি কালুরঘাট, চট্টগ্রাম বাঙালি+যমুনা যমুনা বগুড়া