আপনার বর্তমান ব্যস্ততা প্রসঙ্গে বলুন।
দুইটি সিরিয়ালের কাজ করছি। আজ থেকে ‘মায়ানিগম’ ধারাবাহিকের শুটিং শুরু করব। আগামীকাল থেকে ঈদের নাটকের কাজ শুরু করছি। আগামী দুই মাস টানা ঈদের নাটকের কাজই করব। তারপর থেকে আবার রেগুলার নাটকে ফিরব। তবে ধারাবাহিকের কাজটা একটু কম করব। সিঙ্গেল নাটকই করতে চাই।
আপনি ‘পুত্র এখন পয়সাওয়ালা’ নামের একটি চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন, এটি কোন পর্যায়ে আছে? এর শুটিং শুরু হয়েছে দুই বছরেরও বেশি, এত সময় নেওয়ার কারণ কী?
ছবিটির শুটিং, ডাবিং ও এডিটিং সবই শেষ। কিছুদিন আগে সেন্সরে গেল। বাকি খবর আর জানি না। আর দেরি হওয়ার কারণটাও আসলে আমি ঠিক জানি না। এই বিষয়গুলো ছবিটির পরিচালক নারগিস খানই বলতে পারবেন।
এখন তো অনেকেই কলকাতায় গিয়ে অভিনয় করছেন, বিষয়টা কীভাবে দেখছেন?
আমি বিষয়টাকে অনেক পজেটিভ দেখছি। আমি মনে করি যে, আমাদের সেখানে কাজ করা উচিত। ভালো কোনো সুযোগ পেলে কলকাতায় আমিও কাজ করব। যারা সেখানে কাজ করছেন তাদেরকে সাধুবাদ জানাই।
অন্যদিকে কলকাতার চলচ্চিত্রে বাংলাদেশে আনা এবং বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে কলকাতায় প্রচারের বিষয়েও একটি আলোচনা চলছে, এই বিষয়টি কীভাবে দেখছেন?
এই বিষয়টাকেও আমি অনেক পজেটিভলি দেখছি। আমাদের বাজারও আসলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যাওয়ার প্রয়োজন আছে। দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে যাওয়ার প্রয়োজন আছে। আদান-প্রদানের বিষয়টি হলে অবশ্যই ভালো হয়।
কিন্তু পরিচালক সমিতি, প্রযোজক সমিতি, শিল্পী সমিতিসহ চলচ্চিত্রের গুণী ব্যক্তিরা এই বিষয়টিতে নারাজ কেন?
নিশ্চয়ই, তাদের কোনো না কোনো কারণ আছে। হয়তো এই প্রস্তাবে বাংলাদেশের স্বার্থ খুঁজে পাচ্ছেন না তারা। যদি এই প্রস্তাবে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের লাভ না হয়, তাহলে এই কাজটা করার কোনো প্রয়োজন নেই। আমি একটু শুনেছিলাম যে, কলকাতার তারা শুধু তাদের চলচ্চিত্রই এখানে চালাতে চায়, আমাদেরটা তাদের ওখানে নয়। এ রকম কিছু হলে তো অবশ্যই দূরে থাকা উচিত।
