যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি সিরিয়ার সেনাবাহিনীকে অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা সরবরাহ না করার জন্য রাশিয়াকে আহ্বান জানিয়েছে। তারা সতর্ক করে বলেছেন, এ ধরনের অস্ত্র সরবরাহ করা হলে তা সিরিয়ায় সংঘর্ষকে আরো দীর্ঘায়িত করবে। এদিকে সিরিয়ার বিদ্রোহী গ্রুপের সামরিক কমান্ডার অভিযোগ করেছেন, হিজবুল্লাহ’র প্রায় ৭ হাজার সদস্য গুরুত্বপূর্ণ শহর কুসাইর ঘিরে রেখেছে। এই মুহূর্তে আমাদের অস্ত্র সহায়তা জরুরিভিত্তিতে প্রয়োজন।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি বলেছেন, রাশিয়ার অস্ত্র সিরিয়ায় গেলে ফল হবে অত্যন্ত নেতিবাচক। এতে করে ইসরাইলের নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়বে। জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভেস্টারভেলে শান্তি আলোচনার ক্ষীণ সুযোগও ব্যাহত না করার জন্য মস্কোকে আহ্বান জানিয়েছেন। এ কারণে সিরিয়া সঙ্কট সমাধানে জেনেভায় শান্তি আলোচনা অনুষ্ঠানের চেষ্টা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া। সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ এরই মধ্যে রাশিয়ার কাছ থেকে চুক্তি অনুযায়ী এস-৩০০ অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার চালান আসার কথা জানান। তবে এ ক্ষেপণাস্ত্র হাতে পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেননি আসাদ। এর একদিন পরই ওয়াশিংটনে আলোচনায় বসেন কেরি এবং ভেস্টারভেলে। ওই ক্ষেপণাস্ত্রের সাহায্যে সিরিয়ার আকাশসীমার অনেক উচ্চতায় থাকা শত্রু বিমানকেও ভূপাতিত করা যাবে। প্রতিবেশী দেশগুলোর উদ্বেগের কারণ হচ্ছে, এই ক্ষেপণাস্ত্র তাদের (ইসরায়েল, তুরস্ক) আকাশসীমায় থাকা বিমানকেও আঘাত করতে পারবে।
এদিকে সিরিয়ার বিদ্রোহী গ্রুপের সামরিক কমান্ডার জেনারেল সেলিম ইদ্রিস অভিযোগ করে বলেছেন, লেবাননের হিজবুল্লাহ গ্রুপ ইরানের সমর্থনে সিরিয়ায় আক্রমণ চালাচ্ছে। তিনি বলেন, হিজবুল্লাহর প্রায় ৭ হাজার সদস্য কুসাইর শহর ঘিরে রেখেছে। এখানকার অবস্থা খুবই খারাপ এবং বিপজ্জনক। এই মুহূর্তে অস্ত্র সহায়তা না পেলে পরাজয় ঠেকানো যাবে না।
