স্পট ফিক্সিং কেলেঙ্কারি

তদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে ‘ট্রাইন্যুনাল’ করবে বিসিবি

আপডেট : ০১ জুন ২০১৩, ২২:৪০
হঠাত্ করে বাংলাদেশে অন্যতম আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে দেশি ক্রিকেটারদের স্পট ফিক্সিংয়ে জড়িত হওয়ার বিষয়টি। সমপ্রতি মোহাম্মদ আশরাফুলের জবান- বন্দির বরাতে এই কেলেঙ্কারিতে খালেদ মাসুদ পাইলট, খালেদ মাহমুদ সুজন ও মোহাম্মদ রফিকের নাম যুক্ত হওয়ায় ক্রিকেট অনুরাগীদের হতাশা ও ক্ষোভ তুঙ্গে চড়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আগের অবস্থানেই আছে —আইসিসির দুর্নীতি দমন ইউনিটের (আকসু) তদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে তবেই প্রতিক্রিয়া দেখাবে বোর্ড। আগেরদিন বিসিবি সভাপতির বলা এই কথা গতকালও সাংবাদিকদের বললেন বিসিবির ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন। তিনি বলেছেন, ‘স্পট ফিক্সিংয়ের বিষয়টি আকসুর তদন্তাধীন। তাদের রিপোর্ট পাওয়ার আগে মন্তব্য না করাই ভালো। প্রতিবেদনে যদি কিছু পাওয়া যায় তাহলে ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হবে। তখন বিসিবির এন্টি করাপশন কোড অনুযায়ী গঠিত ট্রাইব্যুনালই অভিযুক্তদের শাস্তি নির্ধারণ করবে।’ মাসুদের অস্বীকার : এদিকে এই ঘটনায় নাম আসায় গতকাল ধানমন্ডি চার নম্বর মাঠে অনানুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন করে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন খালেদ মাসুদ পাইলট। সেই সঙ্গে খালেদ মাসুদ তার বিপক্ষে ওঠা অভিযোগ যুক্তি দিয়ে খন্ডন করেছেন এবং সংশ্লিষ্ট রিপোর্টের যথার্থতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। পাশাপাশি বিপিএলে যে কিছু নিয়ম বহির্ভূত কর্মকান্ড হচ্ছে, সে বিষয়টি স্বীকার করেছেন মাসুদ। তিনি বলেন,‘আমাকেও আকসু বিপিএল চলা অবস্থায় ডেকেছিল। বিপিএল নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিয়েছি আমি। কী কথা হয়েছে; তা বলায় নিষেধ আছে। তবে আমি নিজে কোনো রকম অনিয়ম কখনোই না করলেও বিপিএলে কিছু কলঙ্ক আছে।’ এর আগে শুক্রবার রাতে টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর সঙ্গে কথা বলার সময় মোহাম্মদ রফিক ও খালেদ মাহমুদ সুজন নিজেদের নির্দোষ দাবি করেছিলেন। রফিকও বিপিএলে ফিক্সিংয়ের সত্যতা স্বীকার করেন। শুধু তাই নয়, ঢাকা গ্লাডিয়েটর্সের বোলিং কোচ রফিক বলেন, ঢাকা ও চিটাগং ম্যাচটা পাতানো ছিল বলেই তিনি খেলোয়াড়দের কাছ থেকে শুনেছেন। সুজনের বিবৃতি: গতকাল এক লিখিত বিবৃতি দিয়ে আবারো নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজন। বিবৃতিতে তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সম্পূর্ণ অবান্তর ও কল্পনাপ্রসূত। তিনি ফিক্সিংয়ে জড়িত নন।