কালবৈশাখী ঝড়ে ভবন বিধ্বস্ত হওয়ায় নগদাশিমলা ইউনিয়নের হাজীপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা দেড় মাস ধরে রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে খোলা আকাশের নিচে ক্লাস করছে। প্রধান শিক্ষক শিরিনা আক্তার জানান, স্কুলে চারজন শিক্ষক এবং দুই শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে। প্রতি বছর স্কুল থেকে ৮/১০ ছাত্র-ছাত্রী ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি লাভ করে। গত ২৭ এপ্রিল কালবৈশাখী ঝড়ে স্কুল ভবন ধসে পড়ে। ক্ষতিগ্রস্ত হয় চেয়ার, বেঞ্চ, টেবিল, আলমিরাসহ শিক্ষা সরঞ্জাম। পঞ্চম শ্রেণির সুপ্তি ও তৃতীয় শ্রেণির জিহাদ জানায়, খোলা আকাশের নিচে ক্লাস করতে গিয়ে বৃষ্টিতে প্রায়ই বইখাতা ও জামা-কাপড় ভিজে নষ্ট হচ্ছে।
অভিভাবক নার্গিস আক্তার জানান, বাচ্চাকে স্কুলে দিয়ে পাশেই গাছতলায় বসে থাকি। ঝড়-বৃষ্টি এলেই পাশের বাড়িতে আশ্রয় নেই। বৃষ্টি চলে গেলে আবার বাচ্চা নিয়ে স্কুলে হাজির হই। এভাবে ছোটাছুটি করে কোমলমতি শিশুদের লেখাপড়া ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আশেপাশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না থাকায় গ্রামের মানুষ বাধ্য হয়ে এখানেই শিশুদের পড়াশুনা করাচ্ছেন। স্কুলের ব্যবস্থাপনা কমিটি দ্রুত ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
