আঁধার ঘরে চাঁদের আলো

আপডেট : ০২ জুন ২০১৩, ২০:৪১
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে পিতৃ-মাতৃহীন ২ বোন কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের পর উচ্চশিক্ষার জন্য সমাজপতিদের দ্বারে দ্বারে। জামালপুরে রাজমিস্ত্রির কাজ করে মারুফ ও দিনমজুরের ছেলে রাকিব পেয়েছে জিপিএ-৫। মেহেরপুরের গাংনীতে কুপিবাতির আলোয় আলোকিত লীজা। এসব মেধাবী মুখের খবর তুলে ধরেছেন আমাদের প্রতিনিধি ও সংবাদদাতারা। সাতক্ষীরা শ্যামনগর উপজেলার খ্যাগড়াদানা গ্রামের মৃত আব্দুল গফ্ফার গাজী ও রিজিয়া বেগমের ২ কন্যা নাজনীন সুলতানা ও জেসমিন সুলতানা। পিতৃ-মাতৃহীন অসহায় এই ২ বোন এবার জোবেদা সোহরাব মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এ গ্রেড পেয়েছে। ৫ বছর পূর্বে দিনমজুর পিতা আব্দুল গফ্ফারের আকস্মিক মৃত্যুর পর সংসারের হাল ধরেন মা রিজিয়া বেগম। গাংনী (মেহেরপুর) কুপিবাতির আলোয় আলোকিত গাংনীর কাষ্টদহ গ্রামের হতদরিদ্র পরিবারের মেয়ে নিশাত মুন্নী লীজা। মেধাবী লিজা জিপিএ-৫ পেয়েও হতাশায় নিমজ্জিত। কারণ পড়ালেখার খরচ যোগানোর মতো সাধ্য তার পরিবারের নেই। বাবার কোন জমি-জিরাত নেই। ইত্তেফাককে এমনিভাবে হতাশা প্রকাশ করেন মেধাবী ছাত্রী লীজা। প্রকৌশলী হবার স্বপ্ন দেখে লীজা। কিন্তু বৈদ্যুতিক আলোয় তার লেখাপড়ার সুযোগ হয়নি। নিশাত মুন্নী লীজা জানান, লেখাপড়া করতে তার একমাত্র সম্বল ছিলো কুপিবাতি। প্রকৌশলী হবার স্বপ্ন দেখলেও খরচ যোগাতে না পারায় লীজার লেখাপড়া বন্ধ হবার পথে।