তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগ নেওয়া গ্রাহকদের ৩০ মে-র মধ্যে বৈধ হওয়ার সময়সীমা বেধে দেওয়া হয়। অবৈধ চুলা ব্যবহারের জন্য সরকার গ্রাহকদের কাছ থেকে তিন বছরের জরিমানা আদায় করবে বলে জানা গেছে। অথচ তিতাসের যেসব অসাধু কর্মকর্তা গ্রাহকদের অবৈধ সংযোগ দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে তাদের কৃতকর্মের জন্য কোনো পদক্ষেপ নেবার কথা জানা যায়নি। সরকারি হিসেব মতে, অবৈধ গ্রাহকের সংখ্যা প্রায় ৫৮ হাজারের মতো। তিতাস গ্যাসের সংযোগ পেতে ওই অফিস সংশ্লিষ্ট কোনো ঠিকাদারের দ্বারস্থ হতে হয়। ঠিকদাররাও সেই সুযোগে নানা উপায়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে বিপুল অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেয়। বর্তমান সরকার ঘোষণা দিয়ে বাসাবাড়িতে ২০১০ সালের ১৩ জুলাই থেকে তিতাস গ্যাসের নতুন সংযোগ দেওয়া বন্ধ করে। এরপরও অনেক ঠিকাদার তিতাস গ্যাসের বিক্রয় শাখার কতিপয় কর্মকর্তার সহযোগিতায় পেছনের ভুয়া তারিখ দেখিয়ে বহু গ্রাহককে কোনো রকম কাগজপত্র ছাড়াই নতুন গ্যাসের সংযোগ দিয়েছে। সম্প্রতি সরকার বাসাবাড়িতে নতুন করে গ্যাস সংযোগ এবং অবৈধ চুলাকে বৈধ করার ঘোষণা দেওয়ায় আবারও তারা উঠেপড়ে লেগেছে। এদিকে অবৈধ চুলা ব্যবহারের জন্য সরকার গ্রাহকদের কাছ থেকে জরিমানা আদায় করছে। অবৈধ সংযোগের ব্যাপারে তিতাসের অসাধু কর্মকর্তা ও ঠিকাদার কি ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যাবে?
মোমিন চৌধুরী,
খিলগাঁও, ঢাকা
