‘ইত্যাদি’তে ইকবাল মতিনের দুলর্ভ সংগ্রহ আবিষ্কার

আপডেট : ০২ জুন ২০১৩, ২১:০৩
এবারের ‘ইত্যাদি’র পর্বটি ৩১ মে প্রচার হলেও ১মে শ্রমিক দিবস উপলক্ষেই সাভার ইপিজেডে অনুষ্ঠিত হয়। বরাবরের মতো সামাজিক অসঙ্গতি তুলে ধরতেই যেন এবারেও অকপট ভূমিকা দেখালেন নন্দিত নির্মাতা হানিফ সংকেত। তবে এবারে পুরো অনুষ্ঠানের সাকুল্য বিচারে এবারের পর্বে দেশের প্রথিত যশা চার কণ্ঠশিল্পীকে সমন্বিত করাটা অবশ্যই প্রশংসনীয় হবে। দর্শক পর্বে ফকির আলমগীর ও আব্দুল জব্বারের জনপ্রিয় দুটি গানকে কেন্দ্র করে প্রচারিত পর্বটি নস্টালজিয়ায় ভোগায়। সুবীর নন্দী আর সৈয়দ আব্দুল হাদীর একমঞ্চে গাওয়া গানও অনন্য পরিবেশনা। এ ছাড়া পুরো আয়োজনেই ‘ইত্যাদি’ তার নিজস্ব রীতি অনুযায়ীই পর্ব ও স্কিডগুলো প্রচার করেছে। হাজার হাজার শ্রমিকদের সাথে এবারের ‘ইত্যাদি’ তাই মেহনতি মানুষদের জন্য বাড়তি পাওনা ছিল এটুকু নির্দ্বিধায় বলাই যায়। তবে রাজশাহী প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট)-এর অধ্যাপক সাবেক বিভাগীয় প্রধান ইকবাল মতিনের দুর্লভ সংগ্রহের প্রতিবেদনটি ছিল একেবারেই ভিন্ন। যার কাছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, মহাত্মা গান্ধী বিশ্বের গুণী মানুষদের সেই ৫০ দশকের কয়েক হাজার রেকর্ড রয়েছে। অনুসন্ধানী ‘ইত্যাদি’র মাধ্যমেই এই চমক লাগানো তথ্যটি বেরিয়ে এসেছে। এ বিষয়ে ‘ইত্যাদি’ কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, ‘মূলত প্রান্তিক এলাকার এমন হাজারও তথ্য আমাদের কাছে প্রতিনিয়তই আসে। আর তা নিয়েই আমাদের টিম সেখানে গিয়ে বিশ্লেষণ করে থাকে।’ তাই এবারের ইত্যাদি প্রচারের পর থেকেই রাজশাহী এই লং প্লে সংগ্রাহকের প্রতি মানুষের কৌতূহল বেড়ে যায়। কারণ আমাদের দেশে এত সাংস্কৃতিক উপকরণ সংগ্রহশালা এটিই প্রথম। সরকারিভাবেও এটিকে সংরক্ষণের ব্যাপারে জোর দেওয়া হচ্ছে বলেও জানা যায়।