কুড়িগ্রামের উলিপুরে তিস্তা নদীর ভাঙনে গত তিন দিনে দুইটি গ্রামের আরো ৭০টি পরিবারের ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। নির্মাণ কাজের চূড়ান্ত বিল না হতেই এক নং খামার দামারহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দুই কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এক ভেন্টের রেগুলেটরটিও চলে গেছে নদীগর্ভে। তাছাড়া বিলীন হয়ে গেছে ৬০০ মিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ।
উপজেলার বজরা ইউনিয়নের সাদুয়া দামারহাট ও বগুলাকুড়া গ্রামে তিস্তা নদীর ভাঙন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। বর্ষা শুরু হতে না হতেই গত এক মাসের ব্যবধানে সাদুয়া দামারহাট ও বগুলাকুড়া গ্রামের বহু পরিবারের ঘরবাড়ি চলে গেছে নদীগর্ভে। আর খামার দামারহাট নামের গ্রামটি মানচিত্র থেকেই নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। নদীর পানি যত বৃদ্ধি পাচ্ছে ভাঙনের গতি তত বেড়ে চলছে। প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা ভাঙন কবলিত হচ্ছে। শুরুতে পাউবো কর্তৃপক্ষ জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করলেও তা কোন কাজে আসেনি। গত রবিবার তিস্তা নদীর ভাঙন কবলিত এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, নদী তীরবর্তী বগুলাকুড়া, সাদুয়া দামারহাট, সাতালস্কর, চর বজরা, পশ্চিম বজরা, গুনাইগাছের সন্তোষ অভিরাম ও কাজিরচক গ্রামও ভাঙনের কবলে পড়েছে।
