গত ২৩মে বৃহস্পতিবার ছিল বৌদ্ধ পূর্ণিমার সরকারি ছুটি। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে বৌদ্ধপূর্ণিমা ছিল ২৫মে শনিবার। পর্বটি যুগপত্ ভগবান বুদ্ধদেবের আবির্ভাব, পূর্ণিমা এবং হিন্দুপর্ব বৈশাখী পূর্ণিমা, শ্রী শ্রী গন্ধেশ্বরী পূজা ও শ্রী শ্রীকৃষ্ণের ফুলদোল যাত্রা। সরকারিভাবে শুক্র এবং শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় যাতে বৈশাখী-বৌদ্ধ পূর্ণিমার ছুটি না হারাতে হয়, সেজন্য এ ব্যবস্থা। কিন্তু বিষয়টি ভেবে দেখা দরকার ছিল যে, দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ আর যে যে প্রতিষ্ঠানে সাপ্তাহিক ছুটি কেবল শুক্রবার তাদের জন্য এ বৌদ্ধপূর্ণিমার ছুটি কোনো ফলদায়ক হয়নি। কেননা বৌদ্ধ এবং হিন্দু ধর্মাবলম্বী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ ঐ ধরনের প্রতিষ্ঠানে চাকরিরত কর্মকর্তা-কর্মচারী কীভাবে শনিবারের কার্যদিবসে বুদ্ধপূজা, গন্ধেশ্বরী পূজা, ফুলদোল অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবে? সে ক্ষেত্রে যদি ছুটিটি বৃহস্পতিবারের পরিবর্তে রবিবার দেওয়া হতো, তাহলে উভয়কুলই রক্ষা পেতো। অথবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বৃহস্পতিবারের পরিবর্তে শনিবারেই ছুটিটি বহাল রাখা ঠিক ছিল। ভবিষ্যতে এ ধরনের কোনো ছুটি পড়লে তা যেন কোনোভাবেই অকার্যকর না হয় সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখার জন্য ছুটি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
সচ্চিদানন্দ চক্রবর্তী,
সহযোগী অধ্যাপক, ভালুম এআর খান কলেজ, কালামপুর, ধামরাই, ঢাকা ১৩৫১
