রাজশাহীতে ফলাফল পক্ষে নিতে মরিয়া আওয়ামী লীগ-বিএনপি

আপডেট : ০৩ জুন ২০১৩, ২১:৩৯
জমজমাট প্রচারণায় রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) নির্বাচন জমে উঠেছে। তবে প্রচারণা চলছে মূলত মেয়র পদের প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতৃত্বাধীন দুই জোটের সমর্থিত দুই প্রার্থীকে ঘিরে। উভয় দলের নেতাকর্মীরা নির্বাচনী ফলাফল নিজ দলের মেয়র প্রার্থীর পক্ষে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। তারা নিজ নিজ দলের মেয়র প্রার্থীর পক্ষে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ধরনা দিচ্ছেন, বিভিন্ন সমাবেশে অংশ নিচ্ছেন। বসে নেই দুই জোটের দুই মেয়র প্রার্থীর রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় নেতারাও। মেয়র প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলকে সার্বক্ষণিক ছায়ার মতো সঙ্গ দিচ্ছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব ও রাজশাহী মহানগর সভাপতি মিজানুর রহমান মিনু। অন্যদিকে মেয়র প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনকে সমর্থন দিতে গতকাল সোমবার রাজশাহী পৌঁছেছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। এছাড়া ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরোর সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা এমপি, শাহরিয়ার আলম এমপি সরাসরি লিটনের তালা মার্কায় ভোটের জন্য ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ছুটছেন। ফেসবুকে প্রচারণা ডিজিটাল যুগে এখন প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার, মাইকিং, সমাবেশের মতো পুরনো কৌশলে সীমাবদ্ধ থাকছেন না। প্রার্থীর সমর্থকরা বেছে নিয়েছেন শক্তিশালী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক। রাসিক নির্বাচন নিয়ে প্রচারণা তুঙ্গে উঠেছে সামাজিক এ যোগাযোগ মাধ্যমে। এক্ষেত্রে দুই মেয়র প্রার্থীর নামেও খোলা হয়েছে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট। এছাড়া ফেসবুক পেজে প্রতিদিনই নির্বাচন কেন্দ্রিক বক্তব্য ও ছবি পোস্ট করছেন বাঘা-চারঘাটের তরুণ সংসদ সদস্য শাহরিয়ার আলম। তিনি মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটনের পক্ষে জোর প্রচারণা চালাচ্ছেন। পিছিয়ে নেই আরেক মেয়র প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলও। বুলবুলের পক্ষে সরাসরি মাঠে-ময়দানে এমনকি ফেসবুকেও প্রচারণা চালাচ্ছেন রাসিকের সাবেক মেয়র ও বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব মিজানুর রহমান মিনু। মিনু প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচারণার সময় বুলবুলের সঙ্গে থাকছেন। এরপর রাতেই সারাদিনের গণসংযোগের ছবি তার ফেইসবুক পেইজে পোস্ট করে অনলাইন ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন। এছাড়া আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও অনলাইনে প্রচারণা চালাচ্ছেন।