টেকনাফে নাফ নদীতে মাছ শিকারকে কেন্দ্র করে নৌকাসহ ইসমাইল নামক এক জেলেকে অপহরণ করেছে মিয়ানমার জেলেরা। সে টেকনাফ হ্নীলা ইউনিয়নের গোদামপাড়া এলাকার মৃত শমসু আলমের ছেলে। অপহূত জেলেকে জলদস্যু হিসাবে আখ্যায়িত করে সে দেশের নাসাকা বাহিনীর হাতে তুলে দেয় বলে অভিযোগ তার পরিবার। এ ঘটনায় জেলে সম্প্রদায়ের মাঝে বিরাজ করছে আতংক।
জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যায় হ্নীলা ইউনিয়নের গোদামপাড়া এলাকার মৃত শমসুল আলমের ছেলে ইসমাইল (২৫) ও সিকদার আলীর ছেলে নূরুল আলম (২৭) নৌকাযোগে নাফ নদীতে মাছ শিকারে যায়। এ সময় মিয়ানমার জেলেরাও নৌকাযোগে পার্শ্ববর্তী স্থানে মাছ শিকারে আসে। এক পর্যায়ে দু’দেশের জেলেদের মাঝে সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়। নাফ নদীর ওই এলাকায় মিয়ানমারের কয়েকটি নৌকার জেলেরা বাংলাদেশি দুই জেলের উপর হামলা চালালে নূরুল আলম নাফ নদীতে লাফ দিয়ে সাঁতড়ে হলে ফিরে আসলেও জেলে ইসমাইলকে মিয়ানমার জেলেরা নৌকাসহ অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে অপহূত জেলেকে বাংলাদেশি জলদস্যু হিসাবে আখ্যায়িত করে মংডু নাপ্পুরা ক্যাম্পে নাসাকার হাতে তুলে দেয়। এদিকে তাত্ক্ষণিক তার পরিবার মিয়ানমারে জেলে অপহরণের সংবাদ হ্নীলা বিওপি বিজিবি ক্যাম্পে অবহিত করলে কোম্পানি কমান্ডার ফজলুর রহমান ব্যাটালিয়ান কমান্ডারের নির্দেশে শনিবার একটি পত্র প্রেরণ করে। এতে নাসাকা বাহিনী কোন প্রতি উত্তর দেয়নি।
