পুরান ঢাকার নিমতলীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত যে গুদাম থেকে হয়েছিল সেই গুদামের মালিক কামালের এখনো বিচার হয়নি। ঘটনার সূত্রপাত ৪৩, নবাব কাটরার পাঁচ তলা ভবনের নিচতলার রাসায়নিকের গুদাম থেকে। গুদামের উপরে ছিল আবাসিক বাসা। ওই ঘটনায় ১২৩ জন নিহত হয়।
গতকাল সোমবার নিমতলীতে নিহতদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভের সামনে দাঁড়িয়ে কাঁদছিলেন ইসা মিয়া। তিনি জানান, তার বৃদ্ধ চাচা আগুনে পুড়ে মারা যাওয়ার পর তিন বছর পার হয়েছে। অথচ রাসায়নিকের গুদামের মালিকের এখন পর্যন্ত বিচার হয়নি। ইসা মিয়ার মতো আরো অনেকে গতকাল এসেছিলেন স্মৃতিস্তম্ভে। তারা ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, ওই ভয়াবহ ঘটনার পরেও পুরান ঢাকার বাড়িগুলো থেকে রাসায়নিকের গুদাম অপসারণ হয়নি। স্মৃতিস্তম্ভে আসেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিনসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা।
পুষ্প অর্পণ আর আজিমপুর কবরস্থানে সারিসারি কবরের পাশে দাঁড়িয়ে মোনাজাত করতে দেখা গেছে নিহতদের স্বজনদের। উত্তোলন করা হয় নবাব কাটরার ঘিঞ্জি গলির ভবনে ভবনে কালো পতাকা। নিমতলী নবাব কাটরা ছাতা মসজিদে নিহতদের স্মরণে কোরআন তেলওয়াত ও মিলাদ মাহফিল আয়োজন করা হয়। জোহরের নামাজের পর অনুষ্ঠিত হয় বিশেষ দোয়া। এদিকে পুরান ঢাকার আবাসিক এলাকা থেকে রাসায়নিক দাহ্য পদার্থের দোকান ও গুদাম অন্যত্র অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত ওই দোকানে বিপজ্জনক সর্তক সংকেত ‘লাল/হলুদ’ বোর্ডে চিহ্নিত করার দাবি জানিয়েছে ‘সিটিজেনস রাইটস মুভমেন্ট’।
