সদ্য শেষ হওয়া মৌসুমে দেশে চাহিদার অতিরিক্ত ২ লাখ ৬৭ হাজার মেট্রিক টন লবণ উত্পাদন হয়েছে। এছাড়া গত বছরে আমদানি করা সাড়ে ৭ লাখ মেট্রিক টন লবণের মধ্যে এখনো প্রায় ২ লাখ টন লবণ বিভিন্ন গুদামে মজুদ রয়েছে। ফলে সদ্য শেষ হওয়া মৌসুমে উত্পাদিত লবণের শতকরা প্রায় ৭৫ ভাগই উত্পাদকদের কাছে অবিক্রীত অবস্থায় আছে। এরপরও কয়েকজন মিল মালিক লবণ আমদানি করে দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ এ শিল্পকে ধ্বংসের চেষ্টা করে পরনির্ভরশীল করার ষড়যন্ত্র করছে। কক্সবাজার প্রেসক্লাবে গতকাল সোমবার আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে কক্সবাজার লবণ শিল্প বাঁচাও আন্দোলন কমিটির নেতৃবৃন্দ এ কথা জানান।
এ সময় বিদেশ থেকে লবণ আমদানি বন্ধ করাসহ ৫ দফা দাবি উপস্থাপন করা হয়। সাংবাদিক সম্মেলনে বলা হয়, উদ্বৃত্ত থাকলেও উত্পাদকরা লবণের পাচ্ছে না ন্যায্য মূল্য। বিদেশ থেকে অতিরিক্ত লবণ আমদানির কারণে লবণ মিলগুলো এখনও মাঠ থেকে কিনছে না। ফলে উত্পাদকরা বাধ্য হয়ে কম মূল্যে ব্যবসায়ীদের কাছে লবণ বিক্রি করে দিতে বাধ্য হচ্ছে। লবণ শিল্প বাঁচাও আন্দোলন কমিটির সভাপতি মাস্টার আবদুল কাদের চেয়ারম্যান ও মোস্তফা কামাল চৌধুরী সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য দেন।
