কুষ্টিয়ায় গৃহবধূ টুম্পার মৃত্যু

হত্যা না আত্মহত্যা কিনারা হয়নি এখনো

আপডেট : ০৪ জুন ২০১৩, ২২:৪০
কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার নন্দলালপুর পল্লীতে গৃহবধূ টুম্পা বসুর (২২) মৃত্যুরহস্যের কিনারা হয়নি এখনো। তার পরিবারের দাবি, মাত্র দুই ভরি সোনার গহনার দাবি মেটাতে না পারায় তাকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। অপরদিকে, শ্বশুরবাড়ির লোকজনের দাবি, বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেছেন তিনি। তবে ঘটনার পর থেকে টুম্পার স্বামী গৌতম ও শাশুড়ি শান্তনা পলাতক রয়েছেন। কুমারখালি থানার ওসি শেখ আতিয়ার রহমান জানিয়েছেন, থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা ও একটি সাধারণ ডায়েরি হয়েছে। টুম্পার স্বামী ও শাশুড়িকে ধরতে অভিযান চালানো হচ্ছে। ময়না তদন্ত রিপোর্ট পাওয়া গেলে তার ভিত্তিতে হত্যা কিংবা আত্মহত্যা প্ররোচণার মামলা হবে বলে তিনি জানান। ওসি আরো বলেন, মেয়েটিকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন আত্মহত্যায় প্ররোচিত করেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। অপরদিকে, টুম্পার বাবা সঞ্জীব বসু বলেন, বিয়ের সময় জামাতা গৌতমকে নগদ পাঁচ লাখ টাকা ও ছয় ভরি গহনা দেয়া হয়েছিল। পরে আরো দুই ভরি গহনার জন্য গৌতমের মা প্রায়ই ফোন করে চাপ দিতেন। গত মঙ্গলবার (২৮ মে) রাত তিনটার দিকে টুম্পা কাঁদতে কাঁদতে মোবাইলে তার বোন রুম্পাকে জানান, সেই গহনার দাবিতে তাকে মারধর করা হচ্ছে। তখন টুম্পার স্বামী গৌতম মোবাইল কেড়ে নেন। এরপর ভোরে গৌতম তার শ্বশুরবাড়ি ফোন করে বলেন, টুম্পা বিষ খেয়েছে। তার বাবা দ্রুত ছুটে গিয়ে দেখেন কুষ্টিয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মেয়ের লাশ পড়ে আছে। তার অভিযোগ, হত্যার পর মুখে বিষ ঢালা হয়েছে।