জলোচ্ছ্বাস ও সাগরের ঢেউয়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে রাঙ্গাবালীর চরআন্ডা এলাকার ৪ কিলোমিটার বন্যানিয়ন্ত্রণ বেড়িবাঁধ। অরক্ষিত হয়ে পড়েছে সেখানকার দুই সহস্রাধিক লোক। জলোচ্ছ্বাস হলে চরবাসীরা স্রোতের টানে সাগরে ভেসে যেতে পারে। চরআন্ডা বেড়িবাঁধের বাইরে ও অভ্যন্তরে বসবাস করে কয়েক হাজার মানুষ। গত ১৬ মে এ এলাকার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মহাসেনের তাণ্ডবে বেড়িবাঁধে ভাঙ্গন শুরু হয়। প্রবল বর্ষণ ও পূর্ণিমার জোয়ারে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের কারণে নদীতে প্রচণ্ড ঢেউয়ের তোড়ে ঐ এলাকার ১২ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের পূর্বাংশের ৪ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ সাগরে প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। পানি উন্নয়ন বোর্ড কলাপাড়ার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শফিউদ্দিন জানান, মহাসেন ও পরবর্তী জলোচ্ছ্বাসে চরআন্ডার সাগর সংলগ্ন পূর্বদিকের ৪ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ধুয়ে নিয়ে গেছে। বাইরের দিকে বনায়ন করা না হলে এখানে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করে তা টেকানো সম্ভব নয়। বিষয়টি পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীসহ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। এদিকে একটি ক্রসড্যাম নির্মাণ করা হলে বিচ্ছিন্ন চরআন্ডা মূলভূখণ্ড চরমোন্তাজের সাথে সংযুক্ত হবে। এতে ঐ এলাকাবাসী অনেকটা নিরাপদ বোধ করবে।
