মে মাসে মূল্যস্ফীতি কমেছে

আপডেট : ০৬ জুন ২০১৩, ১৯:৫৭
২০০৫-০৬ অর্থবছরের তথ্যকে ভিত্তি ধরে মে মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৯৮ শতাংশ। এপ্রিলে এই হার ৮ দশমিক ৩৭ শতাংশ ছিল। ১৯৯৫-৯৬ অর্থবছরের তথ্যকে ভিত্তি ধরে করা পুরনো হিসাবেও মূল্যস্ফীতি কমেছে। মে মাসে মূল্যস্ফীতি কমে হয়েছে ৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ। এপ্রিলে এ হার ছিল ৭ দশমিক ৯৩ শতাংশ। ২০০৫-০৬ অর্থবছরের তথ্যকে ভিত্তি ধরে জুন ২০১২ থেকে মে ২০১৩ পর্যন্ত সময়ে গড় মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৬ দশমিক ৫৭ শতাংশ। ২০১১-১২ অর্থবছরের একই সময়ে এই হার ৯ দশমিক ১৫ শতাংশ ছিল। ২০১১-১২ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে যেখানে গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ১০ দশমিক ৭৬ শতাংশ, সেখানে চলতি অর্থবছরে তা কমে ৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ হয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মহাপরিচালক গোলাম মোস্তফা কামাল গতকাল রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিসংখ্যান ভবনে সংবাদ সম্মেলন করে মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ এ তথ্য প্রকাশ করেন। বিদায়ী অর্থবছরের বাজেটে মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশের (১৯৯৫-৯৬ অর্থবছরের তথ্যকে ভিত্তি ধরে) মধ্যে বেঁধে রাখার লক্ষ্য নির্ধারণ করে সরকার। ১১ মাসের গড় হিসাব করলে মূল্যস্ফীতি লক্ষ্যের তুলনায় সামান্য বেশি, যদিও চলতি জুন মাসের হিসাব এখনো বাকি। বিবিএস মহাপরিচালক বলেন, খাদ্যপণ্যের দাম কমায় এপ্রিলের তুলনায় মে মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতিও সামান্য কমেছে। বিশেষ করে চালের দাম কমার কারণেই মূল্যস্ফীতি কমেছে। শাক-সবজিসহ অন্যান্য পণ্যের দামও কিছুটা কমেছে। এদিকে, ২০০৫-০৬ অর্থবছরকে ভিত্তি করে খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতি কমে হয়েছে ৮ দশমিক ১৩ শতাংশ। এপ্রিলে এ হার ৮ দশমিক ৬৮ শতাংশ ছিল। আর খাদ্য বহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি কমে মে মাসে ৭ দশমিক ৭৬ শতাংশ হয়েছে। এপ্রিলে এ হার ছিল ৭ দশমিক ৯১ শতাংশ। পুরনো হিসাবে (১৯৯৫-৯৬ ভিত্তি ধরে) খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতি এপ্রিলের ৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ থেকে কমে মে মাসে হয়েছে ৮ দশমিক ৪০ শতাংশ। তবে খাদ্য বহির্ভূত খাতে ৬ দশমিক ৮১ শতাংশ থেকে সামান্য বেড়ে ৬ দশমিক ৯৩ শতাংশ হয়েছে।