বাউবি-র বিবিএস শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির শেষ কোথায়!

আপডেট : ০৬ জুন ২০১৩, ২১:০৯
শিক্ষার কোনো বয়স নাই চলো সবাই উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে যাই— এই স্লোগানে উজ্জীবিত হয়ে ২০০৭ সালে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএস প্রোগ্রাম (বাংলাদেশ বিজনিস স্টাডিস) চালু হয়। একই বছর নতুন প্রোগ্রামে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে প্রথম ব্যাচ ছাত্রছাত্রী ভর্তি হয়। নতুন বিবিএস প্রোগ্রাম চালু হওয়ার ফলে শিক্ষার মাঝ পথে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে আশার আলো জাগে। ২০০৮ সালে মার্চ মাসে বিবিএস ২য় ব্যাচ ভর্তির বিজ্ঞপ্তি যথারীতি প্রকাশিত হয়ে মে মাসে সকল কার্যক্রম শেষ করে নতুন উদ্যমে ক্লাস শুরু হয়। ক্লাসের নির্ধারিত পাঠদান সম্পন্ন করে ২০০৯ সালে প্রথম সেমিস্টার পরীক্ষা শেষে যথাসময়ে ফল প্রকাশিত হয় এবং একই বছর ২য় সেমিস্টার ভর্তি কার্যক্রম শেষে নির্ধারিত ক্লাস শুরু হয়ে যথাসময়ে সম্পন্ন করে ২য় সেমিস্টার পরীক্ষা শেষ হয় ২০১০সালে। আবার ২০১০সালে আগস্ট মাসে ৩য় সেমিস্টার ভর্তি সম্পন্ন করে নির্ধারিত পাঠদান শুরু হয়ে ২০১১ সালে মার্চ মাসে পাঠদান শেষ হয়। দীর্ঘ সময় অলসভাবে কাটিয়ে ১৪ মাস পরে অথাত্ ২০১২ সালে মে মাসে ৩য় সেমিস্টার পরীক্ষা শুরু হয়ে জুন মাসে শেষ হয়। ৩য় সেমিস্টার পরীক্ষার পর থেকে মে ২০১৩ পর্যন্ত ১১ মাস পার হয়ে গেলো, অথচ আজ পর্যন্ত পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়নি। প্রসঙ্গত, ১ম সেমিস্টার পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয় ১২ মাস পর ,২য় সেমিস্টার পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয় ১৪ মাস পরে, ৩য় সেমিস্টার পরীক্ষার শেষ করে প্রায় ১২ মাস অতিক্রান্ত হতে লাগলো— আজও পর্যন্ত পরীক্ষার ফল প্রকাশের কোনো দিনক্ষণ ঠিক হয়নি। সরকারি-বেসরকারি কলেজে প্রচলিত ডিগ্রি পাস কোর্সের মতো বাউবিতে পরীক্ষা শেষ হওয়ার তিন মাসের মধ্যে ফল প্রকাশিত হলে ব্যাপকভাবে শিক্ষার্থী ভর্তি হবে এবং দূর শিক্ষা ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় হবে। অনেক সময় দেখা যায় সব পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার পর ফল প্রকাশিত হলে একটা বিষয়ে অনুপস্থিত দেখানো হয়, যার কোনো সমাধান অঞ্চলিক কেন্দ্র দিতে পারে না। একজন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দেওয়ার পরও নিশ্চিত হতে পারে না তার সব বিষয়ে পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হবে কিনা? বাউবি কর্মকতাদের উদাসীনতার কারণে এই রকম ঘটনা প্রায় সময় হয়ে থাকে যার কারণে শিক্ষার্থীকে পুনরায় পরীক্ষা দিতে হয়— মাঝ থেকে তার জীবন থেকে চলে যায় আরো একটি বছর। বাউবির শিক্ষার্থীদের এই অনিশ্চয়তা দূর করার ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। সাজ্জাদ হোসেন, নাসরিন আকতার, চট্টগ্রাম সিটি কলেজ (টিউটোরিয়াল কেন্দ্র) ফরিদা ইয়াসমিন, মনোরঞ্জন চাকমা, হাজী মো. মহসিন কলেজ (টিউটোরিয়াল কেন্দ্র)