শেয়ারবাজার চাঙ্গা করতে আগামী অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত কিছু প্রণোদনা দেয়ার প্রস্তাব করেছেন। গতকাল জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনের সময় তিনি বলেন, পুঁজিবাজার স্থিতিশীলতায় ও উন্নয়নে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। এরই অংশ হিসেবে ব্যক্তি শ্রেণীর করদাতার শেয়ার লেনদেন হতে অর্জিত আয় করমুক্ত রাখার বিদ্যমান সুবিধা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি কিছু প্রণোদনা দেয়ার প্রস্তাব করেন তিনি। অর্থমন্ত্রী বলেন, কোম্পানির প্রিমিয়ামের (শেয়ারের অভিহিত মূল্যের অতিরিক্ত যে মূল্য কোম্পানি নেয়) উপর ৩ শতাংশ আয়কর কেটে নেয়ার বিদ্যমান বিধান রহিত করার প্রস্তাব করছি। এর ফলে নতুন নতুন কোম্পানি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে উত্সাহিত হবে।
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বন্ড বিক্রির সময় মোট বিক্রয়মূল্যের উপর বিদ্যমান ০.০৫ শতাংশ উেস কর বিলোপ এবং সরকারি ও বেসরকারি মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগের উপর ১৫ শতাংশ হারে কর রেয়াত দেয়ারও প্রস্তাব করছি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, শেয়ারবাজারের বিনিয়োগ উত্সাহিত করতে করমুক্ত ডিভিডেন্ড (লভ্যাংশ) আয়ের সীমা ৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ হাজার টাকায় উন্নীত করা হোক। স্টক এক্সচেঞ্জে ডিমিউচুয়ালাইজেশন কার্যকর হলে কর অব্যাহতি দেয়ার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন অর্থমন্ত্রী।
পুঁজিবাজারের উন্নয়নে নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ইতিমধ্যে ডিমিউচুয়ালাইজেশন বিল সংসদে পাস হয়েছে এবং সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন রুলস-২০১২ ও প্রণয়ন করা হয়েছে। মিউচুয়ালফান্ড বিধিমালা সংশোধন এবং আন্তর্জাতিক মানের সার্ভিল্যান্স সফটওয়্যার স্থাপন করা হয়েছে।
