ঈদের বাকি আর খুব বেশিদিন নেই। এদিকে ঈদের অডিও বাজার মন্দাক্রান্ত হওয়ায় শিল্পীরা এখন নিজেদের মিউজিক ক্যারিয়ার নিয়ে আয়ের অন্য উপায় যেন খুঁজছেন। বিশেষ করে টিভি লাইভে প্রতি ঈদে প্রায় প্রতিটা চ্যানেলই কম বেশি লাইভ গানের আসর তৈরি করেন। আর এ নিয়েই এখন শিল্পীরা কে কত হাঁকাবেন এই দরদাম চলছে। তবে অধিকাংশ ব্যান্ডদল ও শীর্ষ তারকা শিল্পীরা নিজেদের পারিশ্রমিকের ব্যাপারে এখনও সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না। কারণ ঈদের আগে কোন চ্যানেল কী প্রস্তাব দেয় তার ওপরেই নির্ভর করবে তাদের নিজেদের মূল পারিশ্রমিক। তবে এ ব্যাপারে সব চ্যানেল কর্তৃপক্ষই মনে করেন একটা সুষ্ঠু নীতিমালা হওয়া প্রয়োজন। এ প্রসঙ্গে বৈশাখী টিভির অনুষ্ঠান প্রধান আহসান কবির বলেন, ‘আমার মনে হয় এই অস্থির নিলাম থেকে আমাদের বেরিয়ে আসা উচিত। কারণ আমাদের কিছু চাহিদাসম্পন্ন শিল্পীরা নিজেদের কোনো ফিক্সড পারিশ্রমিক রাখেন না। ফলে আমরা স্পন্সর মানি থেকে প্রাপ্ত আয় ও অনুষ্ঠানের কস্টিং মেলাতে পারি না।
অনেকে আবার শীর্ষ ব্যান্ড তারকা আর শিল্পীদের এই আকাশচুম্বী পারিশ্রমিকের কারণে ভারতীয় শিল্পীদের এনে ঈদের অনুষ্ঠান প্রচারে বাধ্য হন, এমনটাও বলেছেন। এ ছাড়া এ বিষয়ে চ্যানেল প্রডিউসাররা থাকেন অনেকটা বিপাকে। গেল ঈদে বেশ কটি ব্যান্ড দল তাদের নিজেদের কমিটমেন্ট ভেঙে এক চ্যানেলের সাথে চুক্তি গড়লেও অন্য চ্যানেলে লাইভ করেছেন শুধুমাত্র কিছু পারিশ্রমিক বেশি হওয়ার কারণে। এ প্রসঙ্গে, এসএ টিভির প্রডিউসার কামরুজ্জামান রঞ্জু শিল্পীর নাম না প্রকাশ করা শর্তে বলেন, ‘আমি গেল ঈদে যখন একুশে টিভিতে কর্মরত ছিলাম। তখন একটি শীর্ষ ব্যান্ডদলের সাথে চুক্তি গড়ি। কিন্তু পরবর্তীতে মাত্র কিছু টাকা বেশি পাওয়ায় শোয়ের দিন আমাকে সেই অনুষ্ঠান বাতিল করে। এ কারণে আমি মনে করি, সব চ্যানেল কর্তৃপক্ষর একটা সম্মিলিত নীতিমালা ও শিল্পীদের গ্রেডেশন ভিত্তিক পারিশ্রমিক নির্ণয় করা প্রয়োজন।
