জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী ডেমেজিয়েরের পদত্যাগের দাবি উঠেছে ড্রোন বিমান ইউরো হক তৈরির কারণে। জার্মানিতে ড্রোন নিয়ে তুমুল আলোচনা এবারই প্রথম। আকাশ থেকে নজরদারির জন্য তৈরি করা হয়েছিল ড্রোন। চালকবিহীন এই বিমানকে অবশ্য হামলা করে মানুষ হত্যার উদ্দেশ্যেও ব্যবহার করা হচ্ছে। জার্মান সরকার যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোনের আদলে ‘ইউরো হক’ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছিল। উদ্যোগটি ইউরোপীয় বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের অনুমোদন পাবে না জেনে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পটি বন্ধ করা হয়েছে। তারপরও বিরোধী দলগুলো প্রতিবাদে সোচ্চার। প্রতিরক্ষামন্ত্রী টোমাস ডেমেজিয়ের প্রকল্পের পেছনে ৬৬০ মিলিয়ন ইউরো ব্যয় হয়ে যাবার পর কেন সিদ্ধান্তটা নিলেন— এই প্রশ্ন রেখে জনগণের করের টাকার অপচয়ের জন্য দায়ী করে তার পদত্যাগও দাবি করে বিরোধী দলগুলো। তিন মাস পরই জার্মানিতে নির্বাচন। তার আগে ড্রোন নিয়ে এমন ঘটনা আঙ্গেলা ম্যার্কেল সরকারকে বেশ চাপে ফেলেছে। —খবর ডয়চে ভেলের
বুধবার বিষয়টি নিয়ে প্রতিরক্ষা ও বাজেট বিষয়ক সংসদীয় কমিটির মুখোমুখি হতে হয় ডেমেজিয়েরকে। সেখানে জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী দেরিতে সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য দায়ী করেছেন দুই সচিব স্টেফানে বেমেলমানস এবং রুয়েডিগার ভোল্ফকে। মন্ত্রীর দাবি, প্রকল্পটি যে বন্ধ করা ছাড়া গতি নেই ওই দু’জন তা গত ফেব্রুয়ারিতে জেনে গেলেও তাকে জানানো হয়েছে গত ১০ জুন। তার চারদিন পরই ‘ইউরো হক’ প্রকল্প বন্ধ ঘোষণা করা হয়। বিরোধী শিবির পদত্যাগের দাবি তুললেও নিজের দল সিডিইউ-তে টোমাস ডেমেজিয়েরের অবস্থা এখনো ভালো। চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল জানিয়ে দিয়েছেন, প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ওপর তার পূর্ণ আস্থা আছে।
