গোপালগঞ্জের হাসপাতাল ভবনে ফাটল তারপরও ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ

আপডেট : ০৭ জুন ২০১৩, ২০:৫৮
গোপালগঞ্জে আড়াইশ’ বেড জেনারেল হাসপাতাল ভবনে ফাটল দেখা দেয়ার পরও ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণের কাজ চলছে। এব্যাপারে তদন্ত শুরু হয়েছে। গোপালগঞ্জ আড়াইশ’ বেড জেনারেল হাসপাতাল ভবনের স্টোর রুম, রেডিওলজি বিভাগসহ বিভিন্ন দেয়ালে অসংখ্য ফাটল দেখা দেয়। ফ্লোরের মাটি বসে গিয়ে পার্টিশন ওয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে। এছাড়া পার্টিশন ওয়ালের নিচে বিম না থাকায় ওই ওয়াল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। গোপালগঞ্জ স্বাস্থ্য বিভাগ জনগুরুত্বপূর্ণ এ হাসপাতাল ভবন অধিকতর তদন্ত করে ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণের কাজ করার দাবি জানিয়েছে। গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক এ ব্যাপারে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী ও স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরকে চিঠি দেন। গোপালগঞ্জ গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী প্রাথমিক তদন্তে বলেছেন, হাসপাতালের স্টোররুম ও রেডিওলজি বিভাগের পার্টিশন ওয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে। ওয়ালের নিচে বিম না থাকায় ও মাটি ধসে যাওয়ায় পার্টিশন ওয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে। তিনি ঝুঁকিপূর্ণ পার্টিশন ওয়াল ভেঙ্গে ফেলার পরামর্শ দিয়েছেন। গোপালগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. আসাদ উজ্জামান জানান, ২০০২ সালে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে আড়াইশ’ বেড জেনারেল হাসপাতালের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করে। এখন আবার ৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ওই ভবনের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণের কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু ভবনের স্টোর রুম ও রেডিওলজি বিভাগের দেয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে। এর মধ্যেই চলছে ভবনের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণের কাজ। বিষয়টি অধিকতর তদন্ত করে ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণের কাজ সম্পন্ন করার জন্য আমি স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরকে অনুরোধ করছি।