গফরগাঁওয়ে নির্যাতনে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু নিয়ে গুঞ্জন

আপডেট : ০৭ জুন ২০১৩, ২১:০১
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী খোকন মিয়া তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলায় আদালত থেকে জামিন নিয়েছেন। স্থানীয়ভাবে মিমাংসাও হয়েছে প্রতিপক্ষের সাথে। কিন্তুুু ‘মামলা ফয়সালার’ জন্য ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন পাগলা থানার এক এসআই। খোকন মিয়া ঘুষ দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে গত সোমবার উক্ত এসআই ও তার সঙ্গীয় কনস্টেবল আদালত থেকে জামিনে থাকা খোকন মিয়াকে উপজেলার পাঁচবাগ ইউনিয়নের গাভীশিমুল বাজার থেকে আটক করে হাতকড়া পরিয়ে থানায় নিতে চেষ্টা করেন। বিষয়টি দেখে স্থানীয় সোহরাব প্রতিবাদ জানালে ক্ষিপ্ত হন এসআই । উক্ত এসআই তার হাতে থাকা লাঠি দিয়ে সোহরাব উদ্দিনের পেটে গুঁতা দেন এবং পিটিয়ে ও ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেন। ঘটনাস্থলেই সোহরাব উদ্দিনের মৃত্যু হয়। এ সময় এসআই সোহরাব উদ্দিনের লাশ রাস্তায় ফেলে পালিয়ে যান। সোহরাব উদ্দিন নিহত হবার খবর জানাজানি হলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় অনেকেই ঘুষের অভিযোগ এনে পাগলা থানায় কর্মরত পুলিশ কর্মকর্তাদের শাস্তি দাবি করেন। উত্তেজিত এলাকাবাসী এসআইকে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেয়ায় আবু কালাম নামে এক ব্যক্তির মটরসাইকেল ভাংচুর করে। কিন্তুু এ ঘটনায় তদন্ত কমিটির রিপোর্টে পুলিশের ঘুষ বাণিজ্যের বিষয় উল্লেখ হয়নি বলে জানা গেছে। গত বৃহস্পতিবার ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপারের কাছে দেয়া গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে আওয়ামী লীগ নেতা সোহরাব উদ্দিনের মৃত্যু স্বাভাবিক বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এস আইকে জেলা পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়। এ ব্যাপারে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উত্তর) আবু আহম্মদ আল মামুন মুঠোফোনে জানান, তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়েছে। সোহরাব হোসেনের পরিবারের লোকজন দাবি করেছেন তার মৃত্যু স্বাভাবিক। তবে উক্ত এসআই দায়িত্ব পালনে গাফিলতি করেছেন বলেও তদন্ত কমিটির রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে ।