লো-ফ্যাট বা ফ্যাটবিহীন ডায়েট ফ্যাটি ডায়েটের চেয়ে বেশি ক্ষতিকর। বাজারজাতকৃত সব ধরনের লো-ফ্যাট ডায়েট সংরক্ষণ ও স্বাদ বৃদ্ধিতে ব্যবহূত উপাদান বা অ্যাডিটিভস ফ্যাট ডায়েটের চেয়ে শরীরে বেশি জমে এবং ক্ষুধা বাড়ে। বিশেষজ্ঞগণ বলছেন, তথাকথিত লো-ফ্যাট ডায়েটে চিনি, লবণ ও অন্যান্য ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ মেশানো হয়। আর এসব উপাদান শরীরে দ্রুত শোষিত হয় এবং ক্ষুধা বাড়ায়। ‘দ্যা নিউ ইউ এন্ড ইমপ্রুভড ডায়েট’ গ্রন্থের রচিয়তা নিউইয়র্ক সিটি ডায়েটিশিয়ান কেরি গ্লাসম্যান উল্লেখ করেছেন, যখন খাবারের মোড়কে লো-ফ্যাট বা ফ্যাট ফ্রি লেখা দেখা যায় তখন অধিক খাবার আহার করা হয় এবং শরীরে স্বাভাবিকের চেয়ে শতকরা ২৮ ভাগ বেশি ক্যালরি জমা হয়। কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুড এন্ড ব্রান্ড ল্যাবের এক গবেষণায় এ তথ্য পাওয়া যায়।
এব্যাপারে লো-ফ্যাট চিপসের কথা উল্লেখ করে বলা হয়, চিপস থেকে ফ্যাট সরানো হলে এর টেস্ট কমে যায়। তাই উত্পাদনকারী চিপসে অধিক লবণ ও অন্যান্য ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান মিশ্রিত করে। ফলে সাধারণ চিপস থেকে শতকরা ২০ ভাগ সোডিয়াম ও ১৫ ভাগ কার্বোহাইড্রেট বেশি থাকে। একইভাবে লো-ফ্যাট বাটার, বিস্কিট, চকলেটসহ অন্যান্য লো-ফ্যাট খাদ্যসামগ্রী প্রিজারভেটিভ মূল খাবারের চেয়ে বেশি ক্ষতিকর।
লেখক : চর্ম ও যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ
