ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ডে যানজট শত কিলোমিটার ছাড়িয়ে গেছে। কেন্দ্রীয় বিএনপি’র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আসলাম চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানোর প্রতিবাদে সীতাকুণ্ডের ৭টি স্থানে বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় ব্যারিকেড দেয়ার ফলে সৃষ্ট যানজট শুক্রবার বিকাল পেরিয়ে যায়। অবশ্য মহাসড়কের ব্যারিকেড বৃহস্পতিবার রাত ১০টার সময় পুলিশের বাধার মুখে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। তবে এই ভয়াবহ যানজট রেকর্ড ছাড়িয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছে।
এছাড়া বিএনপি’র নেতাকে কারাগারে নিয়ে যাওয়ার পর সীতাকুণ্ডে নাশকতার পরিকল্পনা করেছিলো একটি মহল। পুলিশের তত্পরতার কারণে তাদের সেই নাশকতা প্লান ভেস্তে যায় বলে পুলিশ দাবি করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবারে আসলাম চৌধুরীকে কারাগারে নিয়ে যাওয়ার পর বিএনপি’র নেতা-কর্মীরা উত্তেজিত হয়ে উঠে। তারা মহাসড়কের একাধিক স্থানে যাত্রী ও পণ্যবাহী গাড়ি এলোপাতাড়ি করে রাখে। ফলে উভয় পার্শ্বের গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিকাল ৫টার দিকে বাড়বকুণ্ড, বার আউলিয়া ও মাদামবিবিরহাট এলাকায় পুলিশ ব্যারিকেড তুলে দিয়ে যান চলাচল শুরু করলে সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলা ফকিরহাট ও বাড়বকুণ্ড এলাকায় আবারো যান চলাচল বন্ধ করে দেয় বিএনপি’র নেতা-কর্মীরা।
দফায় দফায় ব্যারিকেডের ফলে বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা থেকে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত রাস্তায় আটকে পড়ে শত শত গাড়ি। চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়ে রোগী বহনকারী এ্যাম্বুলেন্সও।
