নীলফামারীতে যৌতুকের দৌরাত্ম্য বিয়ে হচ্ছে না হাজারো মেয়ের

আপডেট : ০৮ জুন ২০১৩, ২১:৪৩
নীলফামারী জেলার ৬টি উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম এলাকায় যৌতুকের দৌরাত্ন বেড়ে গেছে। সামর্থ্যহীন কন্যার পিতা-মাতা যৌতুক দিতে না পারায় হাজারো মেয়েকে পাত্রস্থ করতে ব্যর্থ হচ্ছে। ফলে সময়ের ব্যবধানে বিবাহযোগ্য মেয়ের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু কিছু পরিবার তাদের মেয়ের বিয়ে দিলেও পরবর্তীতে পাত্রপক্ষের বিভিন্ন অজুহাতে মোটা অংকের যৌতুকের কারণে অনেক মেয়েই শারীরিক নির্যাতনসহ হত্যার শিকার হচ্ছে। অনেক মেয়েই শারীরিক নির্যাতন সহ্য করতে না পারায় এবং পিতামাতাকে অসহ্য যন্ত্রণা থেকে মুক্ত করতে নিজেরা আত্মহত্যা করছে। আবার কিছুসংখ্যক মেয়ে স্বামী পরিত্যক্তা হয়ে নিজের জীবন অভিশপ্ত মনে করে পিতৃগৃহে বোঝা হয়ে অত্যন্ত দুঃখ-কষ্টের মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছে। এ অভিশপ্ত যৌতুক প্রথা থেকে মুক্তি পেতে এবং পিতামাতার বোঝা হালকা করতে যৌতুকের শিকার জেলার হাজার হাজার মেয়ে শহরে-বন্দরে কল-কারখানায়, রাস্তাঘাটে মাটির কাজ করছে। এছাড়া একটু সুখের আশায় ঘর বাঁধার স্বপ্নে বিভোর হয়ে সমাজের লম্পট শ্রেণির লোকদের বিভিন্ন প্রলোভনের বেড়াজালে পড়ে নিজের দেহমন সঁপে দিয়ে অবৈধ মেলামেশা করায় প্রতারিত হয়ে কুমারী মাতা হচ্ছে। অপরদিকে বেকারত্বের অভিশাপে এ অঞ্চলের হাজার হাজার বিবাহযোগ্য যুবক বিয়ে করা থেকে বিরত থাকছে। আর এ কারণেই সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। শ¬ীলতাহানিসহ অসামাজিক কার্যকলাপ বাড়ছে।