আঁধার ঘরে চাঁদের আলো

আপডেট : ০৮ জুন ২০১৩, ২১:৪৫
প্রকৌশলী হবার স্বপ্ন দেখে লেখাপড়া শুরু করে আসাদুল্লাহ। কখনো খেয়ে না খেয়ে অন্যকে প্রাইভেট পড়িয়ে লেখাপড়ার খরচ জুগিয়ে এবারে গাংনী উপজেলার ভাটপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে গোল্ডেন এ প্লাস পেয়েছে সে। তবে কলেজে ভর্তি আর বাকী জীবনের লেখাপড়া নিয়ে চিন্তিত আসাদুল্লাহ ও তার পরিবার। মা মর্জিনা ও বাবা গোলাম হোসেন জানান, ছেলে ভাল রেজাল্ট করেছে শুনে যতটা আনন্দ তার চেয়ে বড় কষ্ট ওকে কিভাবে কলেজে ভর্তি করাবো আর মানুষের মতো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবো। পীরগঞ্জ (রংপুর) সংবাদদাতা বাবা-মায়ের প্রেরণা এবং শিক্ষকদের পরামর্শ আর নিজের শ্রম ও প্রচেষ্টায় ফারজানা আক্তার শাম্মী কাদিরাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়েছে। উপজেলার কুমেদপুর গ্রামের কৃষক আব্দুস সামাদ ও মা গৃহিণী পারুল বেগমের মেয়ে ফারজানারা দু’ বোন। প্রতিদিন রিক্সায় যাতায়াতের ব্যয়ভার বহন করা সম্ভব নয় বলে নিজে বাই সাইকেল চালিয়ে স্কুলে যাতায়াত করেছে ফারজানা । ভবিষ্যতে চিকিত্সক হয়ে গরিব মানুষের সেবা করার প্রবল ইচ্ছে তার। কিন্তু উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি ও বাইরে থেকে পড়াশুনা করতে অনেক টাকার দরকার। অভাবের সংসারে বাবার পক্ষে কতদূর চালিয়ে নেয়া সম্ভব, তা নিয়ে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত ফারজানা। ভবিষ্যত্ ইচ্ছে পূরণে সে সকলের দোয়া প্রার্থী। সদরপুর (ফরিদপুর) সংবাদদাতা উপজেলা সদরের বিশ্ব জাকের মঞ্জিলে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এ বছর বাণিজ্য বিভাগ থেকে মোঃ রাজিব খলিফা জিপিএ-৫ পেয়েছে। সে ভবিষ্যতে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করে চার্টার একাউনটেন্ট হতে চায়। সে উপজেলার নয়রশি গ্রামের মৃত মদন খলিফা ও কর্মসৃজন প্রকল্পের মহিলা শ্রমিক শিরিয়া খাতুনের পুত্র । অর্থাভাবে সে ভালো কোন কলেজে ভর্তি হতে পারবে কিনা সংশয় দেখা দিয়েছে। সে লেখাপড়া চালিয়ে নেয়ার জন্য হূদয়বান ব্যক্তিবর্গের সাহায্য প্রার্থনা করেছে।