রাজশাহীর যুবলীগ নেতা ডাবলু হত্যা মামলার ৬ আসামি ঢাকায় গ্রেফতার

আপডেট : ০৮ জুন ২০১৩, ২২:৫৪
রাজশাহীর যুবলীগ নেতা সারোয়ার হোসেন ডাবলু হত্যা মামলার প্রধান আসামি মাহফুজুর রহমানসহ ছয় জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত শুক্রবার রাতে রাজধানীর বিমানবন্দর রেলস্টেশনে পদ্মা এক্সপ্রেস থেকে তাদের গ্রেফতার করে র্যাব। গতকাল শনিবার সকালে রাজশাহীর রাজপাড়া থানা পুলিশের কাছে তাদের হস্তান্তর করা হয়েছে। গ্রেফতার অন্যরা হলেন আসাদ আলী টনি (২৪), রিমন হোসেন (২৩), সনি (২০), রাজিব (২০) ও আমীর সোহেল চন্দ্র (১৭)। র্যাব হেফাজতে মাহফুজ জানান, তিনি রাজশাহী সিটি করপোরেশনের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের স্বতন্ত্র কাউন্সিলর প্রার্থী। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিরোধের জের ধরে ডাবলু ২২ মে বিকালে তার ওপর হামলা চালায়। এ সময় ডাবলুকে লক্ষ্য করে গুলি করেন তিনি। মামলা দায়েরের আগেই রাজশাহী থেকে পালিয়ে যায় হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতরা। প্রথম অবস্থায় যে যার মতো করে বিভিন্ন এলাকায় পালিয়ে ছিল। এরপর মাহফুজ ঢাকায় এসে কিলিং মিশনে অংশ নেয়া অন্যদের গোপনে সংগঠিত করেন। র্যাবের গোয়েন্দা ইউনিটের পরিচালক লে. কর্নেল জিয়াউল আহসান জানান, ২২ মে প্রকাশ্যে ডাবলুকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই রুবেল হোসেন বাদী হয়ে কাউন্সিলর প্রার্থী মাহফুজসহ ২৫ জনকে আসামি করে রাজপাড়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর থেকেই অভিযুক্তরা রাজশাহী থেকে পালিয়ে যায়। ঘটনার পর থেকেই আসামিদের গ্রেফতারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায় র্যাব-পুলিশ। র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার হাবিবুর রহমান জানান, মাহফুজের বিরুদ্ধে রাজপাড়া থানাসহ বিভিন্ন থানায় চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, অস্ত্র মামলাসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে। ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচন নিয়ে মাহফুজের সঙ্গে রুবেল ও ডাবলুর বিরোধ চরম আকার ধারণ করে। ২২ মে তারেকের চা দোকানে চা পান করার সময় রাজশাহী কলেজের ছাত্রলীগ সভাপতি বাবু এবং ডাবলুর চাচাতো ভাই শাহী ও ডালিমের সামনে মাহফুজ তার কোমরে থাকা পিস্তল বের করে ডাবলুকে লক্ষ্য করে তিন রাউন্ড গুলি করে। এতেই ডাবলুর মৃত্যু হয়।