মহাজোট সমর্থিত মেয়র প্রার্থী শওকত হোসেন হিরন গতকাল রবিবার নগরীর বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগকালে ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেন, যারা বছরের পর বছর ক্ষমতা ভোগ করলেও নগরীর কোনো উন্নয়ন করেনি; তারা এখন বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে ঘোলা জলে মাছ শিকার করতে চাইছে। হিরন তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আহসান হাবিব কামালের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, ভোট এলেই নিজেকে প্রার্থী ঘোষণা করে জনগণের কাছে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করলেও ভোটের পর এসব প্রার্থীদের বরিশালে দেখা যায় না। তাই সময় এসেছে এ সব ভ্রাম্যমাণ প্রার্থীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে ১৫ জুন ব্যালটের মাধ্যমে তাদের প্রত্যাখ্যান করার। টেলিভিশন মার্কায় ভোট দিয়ে নগরীর উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার জন্য ভোটারদের প্রতি আহবান জানান শওকত হোসেন হিরন।
দিনভর গণসংযোগকালে তার সাথে উপস্থিত ছিলেন সম্মিলিত নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব মাহাবুব উদ্দিন আহম্মেদ (বীর বিক্রম), অগ্রণী ব্যাংকের পরিচালক বলরাম পোদ্দার, চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি সাইদুর রহমান রিন্টু, আওয়ামী লীগের সহ-সম্পাদক জোবায়েদুল হক রাসেল, কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা ও দ্রুতি পরিবহনের চেয়ারম্যান আলী খবির চান প্রমুখ।
হিরনকে বরিশালস্থ ভোলা সমিতি ও
কামালকে বাউফল সমিতির সমর্থন
সম্মিলিত নাগরিক কমিটির মেয়র প্রার্থী শওকত হোসেন হিরনকে সমর্থন দিয়েছেন বরিশালস্থ ভোলা জেলা কল্যাণ সমিতি। শনিবার রাতে বরিশাল প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বরিশালস্থ ভোলাবাসীর পক্ষ থেকে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ফরিদপুরের সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান। ভোলা জেলা কল্যাণ সমিতির সভাপতি কাওসার আহমেদের সভাপতিত্বে বক্তৃতা করেন মেয়র প্রার্থী শওকত হোসেন হিরন, ভোলা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুল কাদের মজনু মোল্লা, ভোলা-৪ আসনের এমপি আব্দুল্লাহ আল-ইসলাম জ্যাকব, ভোলা-৪ আসনের এমপি নুরন নবী চৌধুরী শাওন প্রমুখ। একই সময় ১৮ দল সমর্থিত প্রার্থী আহসান হাবিব কামালকে সমর্থন দিতে অশ্বিনীকুমার হলে সভা করেন বরিশালস্থ বাউফল সমিতি।
কাউন্সিলর প্রার্থীদের সঙ্গে নির্বাচন কর্মকর্তাদের বাকবিতণ্ডা
ইভিএম পদ্ধতি সম্পর্কে ভোটারদের সচেতনতা বৃদ্ধি ও উত্সাহিত করার লক্ষ্যে গতকাল প্রতীকী ভোটের আয়োজন করে রিটার্নিং অফিসার। সহকারী রিটার্নিং অফিসার দুলাল চন্দ্র মজুমদার ও উপজেলা নির্বাচন অফিসারগণ ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট প্রদান করার বিষয়ে ভোটারদের ধারণা দেয়ার সময় প্রতিবাদ জানান কাউন্সিলর প্রার্থী মোশারফ আলী খান বাদশা, রুবিনা আক্তার ও কামরুল ইসলাম রতন। তারা মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের ভোট একই মেশিনে কাউন্টিং নিয়ে আপত্তি তোলেন। এক পর্যায়ে বাক-বিতণ্ডার মুখে নির্বাচন কর্মকর্তারা কাজ বন্ধ করে ঠাঁয় দাঁড়িয়ে ছিলেন।
