নিরপেক্ষ নির্বাচনের ক্ষেত্রে কোন ছাড় নয়, সেনা মোতায়েন হবে না

আপডেট : ০৯ জুন ২০১৩, ২৩:০৩
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিব উদ্দিন আহমদ বলেছেন, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং অবাধ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে কোন ছাড় দেয়া হবে না। আইন এবং আচরণবিধি সকলকে মেনে চলতে হবে। নির্বাচনে প্রভাব পড়ে এমন কোন সন্ত্রাসী বা বহিরাগতরা যাতে না আসতে পারে সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে চায়। আচরণবিধি কোনভাবেই লংঘন করা যাবে না। লংঘনকারীদের কোন প্রকার ছাড় না দেয়ার জন্য তিনি আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশ দেন। নির্বাচনে সেনা মোতায়েন করা হবে না বলে তিনি আবারও জানিয়ে দেন। তিনি বলেন, প্রতিটি বুথে ও প্রতিটি কেন্দ্রে এজেন্টদের সামনে ভোট গণনা করা হবে। কমিশন এজেন্টদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। গতকাল রবিবার খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি) নির্বাচন উপলক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থিগণের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন সিইসি। এ সময় প্রার্থী, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, চার সিটি নির্বাচনে কালো টাকার ব্যবহার একেবারে কমিয়ে আনার জন্য চেষ্টা করছি। কিন্তু কাজটি একটু কঠিন। তারপরও আমরা চেষ্টা করছি কালো টাকার ব্যবহারমুক্ত স্বচ্ছ নির্বাচন করতে। এজন্য খুলনায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের ১৫টি টিম সকাল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত কাজ করছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অতিসতর্কতার সাথে দায়িত্ব পালন করবে। পাশাপাশি স্ট্রাইকিং ফোর্সও ওই সকল কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবে। আইন-শৃংখলা ভাল থাকায় সেনাবাহিনী মোতায়েনের কোন প্রয়োজন নেই বলে জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার। ভোটার আইডি কার্ড ও কার্ডের ছবি ভবিষ্যতে আরও ভাল করার চেষ্টা চলছে। ফেসবুকে প্রার্থীদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার প্রসঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ফেসবুক আমাদের জন্য একটি নতুন উত্পাত। ফেসবুকে অপপ্রচার বিষয়ে কমিশনেও কোন নীতিমালা নেই। এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উদ্যোগ নেয়া হবে। তিনি বলেন, আমরা নারী কাউন্সিলরদের জামানতের টাকা কমিয়েছি। খুলনা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন।