কাজীপুরে বঞ্চনার শিকার পাঁচ শতাধিক প্রতিবন্ধী

আপডেট : ১০ জুন ২০১৩, ২২:১২
উপজেলার ৫ শতাধিক প্রতিবন্ধী নারী-পুরুষ, শিশু, বৃদ্ধা আর্থিক সংকটে মানবেতর দিনযাপন করছে। এসব প্রতিবন্ধী একদিকে অভাব-অনটনের শিকার, অন্যদিকে পরিবার ও সমাজের বোঝা হয়ে পৃৃথিবীর সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য থেকে বঞ্চিত। আর্থিক সংকটের কারণে উপযুক্ত চিকিত্সা না পেয়ে অনেকেই মৃত্যুর প্রহর গুনছে। বেঁচে থাকার জন্য সমাজের মানুষের কাছে সামান্য অর্থ সহায়তা ও সহানুভূতি না পেয়ে কেউ কেউ আত্মহত্যার কথা ভাবছে। কাজিপুরের কয়েকটি গ্রামের প্রতিবন্ধী ও তাদের অভিভাবকরা জানান, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতাসহ দুস্থদের জন্য ভিজিএফ সুবিধা ছাড়াও বিভিন্ন সময় সরকারি বেসরকারি নানা সহযোগিতা বা অনুদান দেয়া হলেও দু-একজন প্রতিবন্ধী বাদে বাকিরা বঞ্চিত। বেসরকারি একটি সংস্থার পরিসংখ্যান অনুযায়ী উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে ১ হাজার ১শ’ ৪৪ জন প্রতিবন্ধী রয়েছে। এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে ৫শ’ ৬২ জন। মেঘাই গ্রামের প্রতিবন্ধী আল মামুনের পিতা আবু হানিফ জানান, তার ছেলে জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর প্রহর গুনছে। প্রতিবন্ধী ছেলের চিকিত্সা করতে জমি-জমা, ভিটেমাটি বিক্রি করে তিনি এখন নিঃস্ব। ভেটুয়া জগন্নাত গ্রামের একই পরিবারের ৭ জন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী। এদের মধ্যে ২ জন সরকারি ভাতা পায়। অর্থ কষ্টে বাকিরা মানবেতর জীবন-যাপন করে। খাসশুড়িবের গ্রামে রয়েছে ২৯ জন প্রতিবন্ধী। এদের মধ্যে ৩ জন সরকারি সহযোগিতা পেলেও অন্যরা কোন সহযোগিতা পায় না। সুন্দর এই পৃথিবীতে সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার জন্য সকলের সহযোগিতা চেয়েছে প্রতিবন্ধীরা।