প্লাস্টিকের ক্রোকারিজ সামগ্রীতে মূসক অব্যাহতি বহালের দাবি বিপিজিএমইএ’র

আপডেট : ১১ জুন ২০১৩, ২০:৩৫
প্লাস্টিকের ক্রোকারিজ সামগ্রী যেমন- থালা, বাসন, মগ, জগ, বালতি, ঝুড়ি, বদনা, গামলাসহ এ ধরনের পণ্যে মূসক (মূল্য সংযোজন কর) অব্যাহতি বহাল রাখার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ প্লাস্টিক গুডস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন (বিপিজিএমইএ)। গতকাল মঙ্গলবার এসোসিয়েশন কার্যালয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ দাবি জানান, বিপিজিএমইএ সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন। তিনি বলেন, প্লাস্টিকের সব আইটেম মূসকের আওতাভুক্ত। সাধারণ জনগণের অতি প্রয়োজনীয় ব্যবহার্য হিসেবে শুধু প্লাস্টিকের ক্রোকারিজ জাতীয় পণ্য ছিল মূসকের আওতার বাইরে। এতে এ খাতটি বিকশিত হতে শুরু করেছে। তবে আগামী অর্থবছরে এসব পণ্যকে ১৫ শতাংশ মূসকের আওতায় আনার প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে ক্রোকারিজ প্রতিষ্ঠানের উত্পাদন ব্যাহত হবে। পণ্যের মূল্যও বৃদ্ধি পাবে। তাই জনগণের নিত্যপ্রয়োজনীয় বিবেচনায় এসব পণ্য মূসকের আওতামুক্ত রাখার দাবি জানান, বিপিজিএমইএ সভাপতি। এসময় সভায় এফবিসিসিআইয়ের সহ-সভাপতি হেলাল উদ্দিন, উপদেষ্টা মঞ্জুর আহমেদসহ বিপিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি এ এস এম কামাল উদ্দিন, মো. ইউসুফ আশরাফ এবং শাহেদুল ইসলাম হেলাল উপস্থিত ছিলেন। বক্তব্যকালে বিপিজিএমইএ সভাপতি প্লাস্টিক শিল্পের জন্য পৃথক শিল্পপার্ক গড়ে তোলার সরকারি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের তাগিদ দেন। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সরকার শিল্পপার্ক করার জন্য কেরানিগঞ্জকে বেছে নিয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত জমি অধিগ্রহণ করেনি। তিনি আরও বলেন, গ্যাস-বিদ্যুতের অভাবে এমনিতেই শিল্প উদ্যোক্তারা দিশেহারা হয়ে পড়ছেন। এ অবস্থায় জমিতে কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ দেয়ায় জমির দাম বেড়ে যাবে। ফলে শিল্প উদ্যোক্তাদের জন্য জমি পাওয়া দুষ্কর হয়ে যাবে। তাই কালো টাকা শিল্পায়নে বিনিয়োগের সুযোগ দেয়ার পক্ষে মত দেন তিনি।