আকুসর রিপোর্ট নিয়ে দিনভর গুজব

আপডেট : ১১ জুন ২০১৩, ২১:২০
যত দিন যাচ্ছে গুজবের ডালপালা আরো বিস্তৃত হচ্ছে। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) স্পট ফিক্সিংয়ের তদন্ত করতে আসা আইসিসির দুর্নীতি দমন ইউনিটের (আকসু) দুই সদস্যের ঢাকায় অবস্থানের আছেন বলে ফিক্সিং রিপোর্ট নিয়ে নানামুখী গুজব চলছে এখন ক্রীড়াঙ্গনে। সর্বশেষ কাল বিকেল থেকে গুঞ্জন শোনা যায়, আকসু তাদের তদন্তের রিপোর্ট বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কাছে জমা দিয়েছে। কিন্তু বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নিজামুদ্দিন চৌধুরী সুজন তা সরাসরি অস্বীকার করে বলেছেন, ‘তারা এখনো ঢাকায় আছেন। কিভাবে রিপোর্ট জমা দিবেন।’ আজ আকসু প্রতিনিধিরা ঢাকা ছাড়ার কথা। যাওয়ার আগে তাদের চূড়ান্ত রিপোর্টও বিসিবির কাছে জমা দেয়ার কথা। তবে বোর্ড সভাপতি দেশের বাইরে থাকায় রিপোর্ট কার কাছে জমা দিবে আকসু সেই জল্পনা কল্পনাও চলছে। ধারণা করা হচ্ছে, আকসু বিসিবির সিইও’র কাছে তাদের চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দিবেন। এদিকে কাল সারাদিন ধরেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল আকসুর রিপোর্টের বিষয়বস্তু। চূড়ান্ত রিপোর্টে কি থাকবে তা নিয়েই মূল আগ্রহ। যতোদূর জানা গেছে, তদন্ত রিপোর্টের মূল অংশে মোহাম্মদ আশরাফুল ছাড়া ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরসের চেয়ারম্যান সেলিম চৌধুরীর নাম থাকতে পারে। আরো জানা যায়, মাহবুবুল আলম রবিনের নামও থাকতে পারে রিপোর্টে; থাকতে পারে কয়েকজন বিদেশি ক্রিকেটারের নামও। তবে আকসুর রিপোর্ট নিয়ে এই মুহূর্তে বিসিবির সিইও কিছুই বলতে চাচ্ছেন না। যা বলবেন বোর্ড সভাপতি দেশে আসার পর তিনিই বলবেন বলে জানান সিইও। জানা গেছে, আকসুর দুই কর্মকর্তা কাল দিনভর বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। এদের মধ্যে বোর্ড কর্মকর্তাও ছিলেন। ছিলেন বিপিএলের প্রথম ও দ্বিতীয় আসরের গভর্নিং কাউন্সিলরের কর্মকর্তারা। তবে সানোয়ার হোসেন ও মোহাম্মদ রফিককে জিজ্ঞাসাবাদ করার কথা শোনা গেলেও সানোয়ার তা অস্বীকার করেছেন। কাল বিকেলে টেলিফোনে সানোয়ার ইত্তেফাককে বলেন, ‘আমি বাসায় ছিলাম। কেউ আমাকে ফোন দেয়নি। আমি আগেও বলেছি, আকসু যদি আমার কাছে সহযোগিতা চায় আমি তা দিতে প্রস্তুত। তবে তার আগে আমার সাথে তাদের কথা বলতে হবে।’ উল্লেখ্য বিপিএল দ্বিতীয় আসরে ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরসের দুটি ম্যাচকে সন্দেহের তালিকায় রেখে তদন্ত শুরু করে আকসু। সে তদন্তে অনেকের নাম গুঞ্জন আকারে শোনা গেলেও মোহাম্মদ আশরাফুল শুধু নিজের দোষ স্বীকার করে নিয়েছেন।