বসে নেই সংরক্ষিত আসনের নারী কাউন্সিলর প্রার্থীরাও

আপডেট : ১১ জুন ২০১৩, ২১:৫৯
খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনে বসে নেই ১০টি সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর প্রার্থীরাও। নির্বাচন যতই এগিয়ে আসছে ভোটারদের বাড়িতে সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর প্রার্থীদের যাতায়াতও ততই বাড়ছে। এসব প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরাও নিজ নিজ প্রার্থীর সমর্থনে পাড়ায়-মহল্লায় ও বাড়িতে বাড়িতে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছে। এবারের সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে কেসিসি’র ১০টি সংরক্ষিত আসনে ৪৫ জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নেমেছেন। এদের মধ্যে বর্তমান কাউন্সিলররাও রয়েছেন। এছাড়া অধ্যাপিকা রুনু বিথার নামে একজন নারী ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করছেন। তিনি ওই ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর। তার স্বামী কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা কাউন্সিলর শহীদ ইকবাল বিথার সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হলে উপ-নির্বাচনে রুনু বিথার নির্বাচিত হয়েছিলেন। কেসিসি’র ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত সংরক্ষিত ১ নম্বর ওয়ার্ড। এবার সংরক্ষিত ১ নম্বর ওয়ার্ড থেকে ভোটযুদ্ধে নেমেছেন ৬ জন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ সমর্থিত সাবেক কাউন্সিলর নাহিদ সুলতানা, বিএনপি সমর্থিত শাম্মী চৌধুরী মলি, বর্তমান কাউন্সিলর মনিরা আক্তার, মোসাম্মাত্ রেবা সুলতানা, রোজিনা বেগম রাজিয়া ও লায়লা আরজুমান বানু। ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত সংরক্ষিত ২ নম্বর ওয়ার্ড। এই ওয়ার্ডে এবার প্রার্থীর সংখ্যা ৫ জন। তারা হলেন- আওয়ামী লীগ সমর্থিত বিনু ইসলাম, বিএনপি সমর্থিত মনিরা বশির, বর্তমান কাউন্সিলর সাহিদা বেগম, জেসমিন সুলতানা ও রেশমা বেগম। ৭, ৮ ও ১০ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত সংরক্ষিত ৩ নম্বর ওয়ার্ড। এ ওয়ার্ড থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনজন। তারা হলেন-আওয়ামী লীগ সমর্থিত সাবেক কাউন্সিলর শামীমা সুলতানা সীমা, বিএনপি সমর্থিত বর্তমান কাউন্সিলর ফিরোজা খানম ও রহিমা আক্তার হেনা। ১১, ১২ ও ১৩ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত সংরক্ষিত ৪ নম্বর ওয়ার্ড। এবার এই আসনে প্রার্থী হয়েছেন ৫ জন। তারা হলেন- আওয়ামী লীগ সমর্থিত পারভীন আক্তার, বিএনপির দুই প্রার্থী বর্তমান কাউন্সিলর আফরোজা জামান ও দেলোয়ারা বেগম এবং দিপালী রানী রায় ও সাজিয়া আক্তার। এই আসনে বিএনপি সমর্থিত দুই প্রার্থী থাকার কারণে দলের পক্ষ থেকে আসনটি উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। ৯, ১৪ ও ১৫ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে সংরক্ষিত ৫ নম্বর ওয়ার্ড গঠিত। এবার এ আসন থেকে চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী বর্তমান কাউন্সিলর মেমোরী সুফিয়া রহমান শুনু, বিএনপি সমর্থিত আনজিরা খাতুন, লুবনা আরা ও নাজনীন নাহার বিউটি। ১৬, ১৭ ও ১৮ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত সংরক্ষিত ৬ নম্বর ওয়ার্ড। এ আসনে লড়াইয়ে নেমেছেন তিনজন। তারা হলেন-আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী বর্তমান কাউন্সিলর শেখ আমেনা হালিম বেবী, বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী রাবেয়া ফাহিদ হাসনাহেনা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসিনা বেগম। ১৯, ২০, ২৫ ও ২৬ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত সংরক্ষিত ৭ নম্বর ওয়ার্ড। এ ওয়ার্ড থেকে লড়াইয়ে নেমেছেন চারজন প্রার্থী। তারা হলেন-আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী বর্তমান কাউন্সিলর মাহমুদা বেগম, বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মুক্তি মাহমুদা মনি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মামনুরা জাকির খুকুমনি ও মনোয়ারা সুলতানা কাকলি। নগরীর কেন্দ্রস্থলের ২১, ২২ ও ২৩ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ৮ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ড। এবার এ ওয়ার্ড থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনজন প্রার্থী। তারা হলেন-আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী বর্তমান কাউন্সিলর হালিমা ইসলাম, বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী নাদিরা হোসেন তুলি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী কণিকা সাহা। ২৪, ২৭ ও ২৮ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত সংরক্ষিত ৯ নম্বর ওয়ার্ড। এ ওয়ার্ডে ভোটযুদ্ধে নেমেছেন তিনজন প্রার্থী। তারা হলেন-বর্তমান কাউন্সিলর ও স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমা খাতুন, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী শাহনূর বেগম ও বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী কাওসারী জাহান মঞ্জু। এছাড়া ২৯, ৩০ ও ৩১ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত সংরক্ষিত ১০ নম্বর ওয়ার্ড । এ ওয়ার্ডে এবার সর্বোচ্চ ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন-আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী লুত্ফুন্নেসা লুত্ফা, বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ও বর্তমান কাউন্সিলর রোকেয়া ফারুক, স্বতন্ত্র প্রার্থী লাকী খান, হোসনে আরা চাঁদনী, লাবণী বেগম, মিনু হাওলাদার, খাদিজা রাবেয়া ওয়ালী করবী, লায়লা ইসলাম ও সাহানা পারভীন। ভোট দোরগোড়ায় আসার সাথে সাথে মেয়র ও সাধারণ ওয়ার্ডেও কাউন্সিলর প্রার্থীদের পাশাপাশি সংরক্ষিত আসনের এসব কাউন্সিলর প্রার্থী ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। দিচ্ছেন ভোটারদের পাশে থাকার নিশ্চয়তা ও এলাকার উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি।