আগেভাগেই শনাক্ত হবে ক্যান্সার

আপডেট : ১১ জুন ২০১৩, ২১:৫৯
মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) মিল্টন হলে ক্যান্সার রোগীদের চিকিত্সার স্বার্থে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে স্বাক্ষর করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. জুলফিকার রহমান খান এবং কমিশনের পক্ষে স্বাক্ষর করেন নিউক্লিয়ার মেডিসিন এন্ড আল্ট্রাসাউন্ড বিশেষজ্ঞ, সদস্য (বায়ো-সায়েন্স) প্রফেসর ড. শাহানা আফরোজ। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ শহিদুল্লা, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. মো. রুহুল আমিন মিয়া, পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. আবু নাসার রিজভী, কমিশনের চেয়ারম্যান এএসএম ফিরোজ, কমিশনের পরিচালক ড. ফরিদুল আলম, বিশ্ববিদ্যালয়ের আনকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান ডা. সারওয়ার আলম, ডা. মো. আব্দুল বারী, অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার ডা. আসাদুল ইসলাম, রেডিওলজি এন্ড ইমেজিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সালাহউদ্দীন আল-আজাদ, অধ্যাপক মো. এনায়েত করিম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বক্তারা জানান, এ চুক্তি বাস্তবায়নের মাধ্যমে রোগীর দেহে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষসমূহ কোথায় আছে তা PET-CT’র মাধ্যমে নির্ণয় করা যাবে। এছাড়া ক্যান্সারের চিকিত্সা দেয়ার জন্য রেডিও থেরাপিরও ব্যবস্থা থাকবে। এক কথায় এ চুক্তি বাস্তবায়ন হলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ও পরমাণু শক্তি কমিশনের যৌথ উদ্যোগে অত্যন্ত উন্নত ও আধুনিক পদ্ধতিতে ক্যান্সার রোগ নির্ণয় করে অত্যাধুনিক ও সমন্বিত চিকিত্সা ব্যবস্থার মাধ্যমে সাধারণ রোগীরা ক্যান্সারের চিকিত্সাসেবা নিতে পারবেন। ক্যান্সার রোগীদের চিকিত্সার স্বার্থে শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ১৪৮৫৫ বর্গফুট জায়গা পরমাণু শক্তি কমিশনকে বরাদ্দ দিয়েছে। PET-CT স্থাপন করা হলে বর্তমান পদ্ধতির চেয়ে আগেভাগেই চিহ্নিত করা যাবে ক্যান্সার রোগী। জানা যাবে রোগীর কোন কোন কোষসমূহ ক্যান্সারে আক্রান্ত। যা ক্যান্সার রোগীদের চিকিত্সায় অগ্রগতির ক্ষেত্রে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে।—প্রেস বিজ্ঞপ্তি