বার্কলেস ব্যাংকের রেমিট্যান্স সেবা প্রদান বন্ধের সিদ্ধান্তে যুক্তরাজ্যে অবস্থিত বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যাংকের এক্সচেঞ্জ হাউজগুলো হুমকিতে পড়েছে। আগামী ২০ জুলাইয়ের পর রেমিট্যান্স সেবা প্রদান সংক্রান্ত কোন হিসাব পরিচালনা করবে না বলে ব্যাংক জানিয়েছে। এতে ব্যাংকে হিসাব পরিচালনাকারী বাংলাদেশের ১১টি ব্যাংক বিপাকে পড়েছে। সমস্যা সমাধানে এরইমধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা যুক্তরাজ্য সফর করেছেন। তবে ব্যাংকে তাদের সিদ্ধান্তে অটল থাকায় সমস্যার সমাধান হয়নি। গতকাল মঙ্গলবার ব্যাংকগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তারা এ কথা জানিয়েছেন বলে বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সভাকক্ষে ডেপুটি গভর্নর নাজনীন সুলতানার সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের প্রতিনিধিরা ছাড়াও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক আহসান উল্লাহ ও এস এম মনিরুজ্জামান, মহাব্যবস্থাপক মাসুদ বিশ্বাসসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশের ১৭টি ব্যাংকের যুক্তরাজ্যে এক্সচেঞ্জ হাউজ পরিচালনার অনুমতি রয়েছে। তবে ১৩টি ব্যাংক এক্সচেঞ্জ হাউস পরিচালনা করছে। এক্সচেঞ্জ হাউসের মাধ্যমে রেমিট্যান্স সেবা প্রদানের জন্য সেদেশের ব্যাংকে একটি হিসাব পরিচালনা করতে হয়। সে হিসেবে ১১টি ব্যাংক যুক্তরাজ্যের বার্কলেস ব্যাংকে ও ২টি ব্যাংক নেট ওয়েস্ট ব্যাংকের মাধ্যমে হিসাব পরিচালনা করে। গত ২০ এপ্রিল বার্কলেস ব্যাংক এক চিঠির মাধ্যমে বাংলাদেশের ১১টিসহ অন্য দেশের এ সংক্রান্ত হিসাব পরিচালনাকারী ব্যাংকগুলোকে জানিয়ে দেয় দুই মাস পর তারা এ সংক্রান্ত হিসাব পরিচালনা করবে না। বার্কলেস ব্যাংকে হিসাব পরিচালনাকারী ব্যাংকগুলো হলো আইএফআইসি, এক্সিম, মার্কেন্টাইল, সোনালী, রূপালী, সাউথইস্ট, স্টান্ডার্ড, যমুনা, ব্র্যাক, এবি, ইস্টার্ন ব্যাংক। নেট ওয়েস্ট ব্যাংকে হিসাব পরিচালনাকারী ব্যাংক হলো প্রাইম ও পূবালী ব্যাংক।
