শাহরিয়ার খালেদের গজল ও গীত পরিবেশনা

আপডেট : ১২ জুন ২০১৩, ১৯:১০
‘এখনকার মতো এতো সুযোগ-সুবিধা তখনকার শিল্পীরা পাননি। তারপরও তাদের কণ্ঠ-ঐশ্বর্য ছিল। যা তখনকার যাদের হাতে ধরা পড়েছিল, তাদের পৃষ্ঠপোষকতায় এরা এত বড় শিল্পী হয়ে উঠতে পেরেছেন। তখনকার দিকে বড় বড় সংগীতাসর হতো না। এখন তো অনেক সুবিধা।’ গত ৭ জুন সন্ধ্যা সাতটায় ‘সোসাইটি ফর সাউথ এশিয়ান কালচারাল হেরিটেজ’-এর উদ্যোগে নগরীর থিয়েটার ইনস্টিটিউট, চট্টগ্রাম (টিআইসি) মিলনায়তনে একটি সংগীতাসরের উদ্বোধনকালে ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ প্রফেসর সিকান্দার খান এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে শামসাদ বেগম, মেহেদী হাসান, মোহাম্মদ রফি, তালাত মাহমুদ, জগজিত্ সিং-এর গীত গান পরিবেশন করবেন শিল্পী শাহরিয়ার খালেদ। তিনি প্রায় ৩৩টি গান পরিবেশন করেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য গান হচ্ছে : ‘দে দে খোদাকে নাম’, ‘তেরে মেরে স্বাপ্নে আর এক রাঙ্গ হ্যায়’, ‘এ্যায় দুনিয়া ক্যায়া তুঝছে কেহে’, ‘চৌদভী কা চাঁন্দ হো’, ‘বাহারো ফুল বারছাও’, ‘তসবীর বানাতা হু’, ‘হোঁটোছে ছুলো তুম’, ‘ইয়ে মেওে আঁন্ধেরে উজালে’, ‘রানজিস ছাহি দিলহি দুখানে’, ‘ইয়ে জিন্দেগি কা মেলে’, ‘কাল চান্দনি কি রাত থি’, ‘তেরি পেয়ারি পেয়ারি ছুরাতকো’, ‘শাওয়াল মে বারখা সাতায়ে’, ‘পেয়ার ভারে দো শারমিলে’, ‘ভুলা নেহি দেনা জি ভুলা নেহি দেনা’, ‘দুনিয়াকে রাখতরায়ে শুন’ প্রভৃতি। অনুষ্ঠানে বাদ্যযন্ত্রে ছিলেন :বেহালা-শ্যামল, হারমোনিয়াম-সাইফুল খান, তবলা-সাখাওয়াত হোসেন, লিড-মো. শাহনেওয়াজ, কি-বোর্ড-শহীদুল্লাহ, পারকিওশান-মো. ফারুক, ঢোলক-মো. রফিক। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন মুজাহিদুল ইসলাম ও শামীমা ইয়াসমিন।