উপজেলার পুটখালী সীমান্তে গত মঙ্গলবার রাতে বিএসএফের গুলিতে নিহত হয়েছে বাংলাদেশি দুই গরু ব্যবসায়ী। এ সময় নিহতদের সঙ্গে থাকা ২ সঙ্গী আহত হয়ে দেশে ফিরলেও তাদের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। নিহতরা হলেন বেনাপোল পোর্ট থানার শিবনাথপুর বারোপোতা গ্রামের চান্দ আলীর পুত্র হাবিবুর রহমান (২৫) ও বসতপুর কলোনির সবেদ আলীর পুত্র ফারুক হোসেন (২৬)।
বিজিবির পুটখালী ক্যাম্পের সুবেদার শফিউদ্দিন জানান, সীমান্ত দিয়ে গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১২টায় একদল গরু ব্যবসায়ী বাংলাদেশে ফিরছিল। তখন ভারতের আংরাইল ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা পুটখালীর চরের মাঠের বিপরীতে খেদাপাড়ায় তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে। এ সময় ঘটনাস্থলেই মারা যান হাবিবুর রহমান। এছাড়া আহত ফারুক হোসেনকে হাসপাতালে নেয়ার পর মারা যায়।
নিহতদের লাশ ময়না তদন্ত করতে পুলিশ যশোর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। ২৩ বিজিবির কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল তায়েফুল হক বলেন, বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি দুই গরু ব্যবসায়ীর নিহতের ঘটনায় তাদের কড়াভাবে প্রতিবাদ জানিয়ে চিঠি দেয়া হচ্ছে।
গৃহবধূকে পেটালো বিএসএফ
পাটগ্রাম (লালমনিরহাট) সংবাদদাতা জানান, উপজেলার দহগ্রাম ইউনিয়নের বঙ্গেরবাড়ি আঙ্গরপোতা সীমান্ত থেকে বাংলাদেশের প্রায় ১০০ গজ ভেতরে ঢুকে গতকাল বুধবার দুপুরে এক বিএসএফ সদস্য এক গৃহবধূকে (২৮) পিটিয়ে পালিয়ে গেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে দহগ্রাম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দহগ্রাম ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হাবিব জানান, বিএসএফ সদস্যরা গরু নিয়ে যাওয়ার সময় গৃহবধূ বাধা দিলে এক বিএসএফ সদস্য তাকে পেটায়। এক পর্যায়ে তার মাথা ও চোখ জখম হয়ে রক্তপাত হতে থাকে। এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বিএসএফকে চিঠি দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজিবি’র পাটগ্রাম কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার জোনাব আলী।
