বিশ্বের সবচেয়ে বড় বইয়ের দোকান হলো আমেরিকার নিউইয়র্ক সিটিতে অবস্থিত বার্নস অ্যান্ড নোবেল বুকস্টোর। বইয়ের এ দোকানটির সর্বমোট আয়তন ১,৫৪,২৫০ বর্গফুট এবং এতে যে পরিমাণ বই রাখার তাক রয়েছে সেই তাকগুলোর সম্মিলিত দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ১২ মাইল বা ২০ কিলোমিটারেরও বেশি।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় বইয়ের দোকানের মতো বিশ্বের সবচেয়ে বড় গ্রন্থাগারটির অবস্থানও আমেরিকাতে। ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত দ্য লাইব্রেরি অব কংগ্রেস নামের এই গ্রন্থাগারটিতে সব মিলিয়ে প্রায় ২৮ মিলিয়ন বই রয়েছে এবং এই বই রাখার তাকের সম্মিলিত দৈর্ঘ্য ৫৩২ মাইল। অর্থাত্ ৭০ মাইল গতিবেগে চলা কোনো গাড়ি দিয়েও যদি এই বইয়ে সারি ঘুরে দেখতে হয় তাহলে সময় লাগবে প্রায় ৮ ঘণ্টা।
আকৃতিগত বিশালতার কারণে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বই হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয় মিয়ানমারের বুদ্ধদের কাছে সংরক্ষিত প্রাচীণ একটি বুদ্ধ ধর্মগ্রন্থকে। ‘কু থো দ’ ফয়ার’ নামের এই ধর্মগ্রন্থটি ৭২৯টি সাদা মার্বেল পাথরের উপর খোদাই করে লেখা এবং প্রতিটি মার্বেলের আকার ৩ ফুট বা ৪ ফুট। আর প্রতিটি মার্বেল স্থাপনের জন্য রয়েছে একটি করে মোট ৭২৯টি প্যাগোডা।
বিশ্বের সবচেয়ে সব্যসাচী লেখক হিসেবে যাকে অনেকেই স্বীকৃতি দিয়ে থাকেন তিনি হলেন ব্রাজিলিয়ান লেখক জো কার্লোস রায়কি। ১৯৮৬ সাল থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত দশ বছরে তার ১,০৫৮টি উপন্যাস প্রকাশিত হয়।
বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত ও বেশি বিক্রি হওয়া বইগুলোর একটি হলো হ্যারি পটার সিরিজের ‘হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফিনিক্স’ বইটি। জে কে রাউলিং-এর লেখা এই বইটি প্রথম প্রিন্টে বিক্রি হয় ৮.৫ মিলিয়ন কপি।
