দৃক গ্যালারিতে ‘কল্পনা চাকমার সন্ধানে’আলোকচিত্র প্রদর্শনী

আপডেট : ১৩ জুন ২০১৩, ২১:৫৫
পার্বত্য চট্টগ্রামে কল্পনা চাকমার রহস্যজনক অপহরণের প্রেক্ষাপটে শহিদুল আলম ও সায়দিয়া গুলরুখ মৌখিক ইতিহাস, আলোকচিত্র ও ফরেনসিক গবেষণা পদ্ধতির সাহায্যে সেই অভিশপ্ত রাতের কতগুলো দৃশ্য আঁকার চেষ্টা করেছেন যে দৃশ্যগুলো গত সতের বছর ধরে বিভিন্ন সরকারের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নীরবতা পালনের মাধ্যমে অদৃশ্য করে রাখা হয়েছে। কল্পনা চাকমা অপহরণ দিবসে বুধবার ধানমণ্ডির দৃক গ্যালারিতে শুরু হয়েছে ‘কল্পনা চাকমার সন্ধানে’ শিরোনামে ব্যতিক্রমী আলোকচিত্র প্রদর্শনী। আয়োজকরা যে প্রদর্শনীটিতে বিশেষায়িত করেছে ‘আলোকচিত্র-ফরেনসিক স্টাডি’ নামে। প্রদর্শনী উদ্বোধন করেন ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষী কল্পনা চাকমার বড় ভাই কালিন্দী কুমার চাকমা। প্রদর্শনীর আয়োজনের লক্ষ্য প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখেন আলোকচিত্রী শহিদুল আলম। প্রতিবছর কল্পনা চাকমা অপহরণ দিবস পালন করে আসছে চট্টগ্রামের তিনটি জেলার পাহাড়ি সংগঠন। এ বছর কল্পনা অপহরণ হিসেবে তাদের প্রতিবাদের উচ্চারণের সাথে কণ্ঠ মিলিয়ে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে দৃক গ্যালারি। প্রদর্শনীটি বিভিন্ন আলোকচিত্র দিয়ে সাজানো হয়েছে। একজন বিজ্ঞানী ও আলোকচিত্রী হিসেবে শহিদুল আলম কল্পনার অভিজ্ঞতা, অপহরণ পূর্ব মুর্হূতগুলো খুব সাধারণ, তুচ্ছ জিনিসগুলো (একটা চুলের ফিতা, প্রিয় জুতা, গাছের বাকল) ফরেনসিক টেকনিক ব্যবহার করে শৈল্পিক উপস্থাপনের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন। এই প্রদর্শনীটি দৃক পিএলসির গণসচেতনার ক্যাম্পেইন। প্রদর্শনী চলবে ২১ জুন পর্যন্ত। প্রতিদিন বিকাল ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত প্রদর্শনীর দ্বার সবার জন্য খোলা থাকবে। মযহারুল ইসলাম কবিতা পুরস্কার:বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি শহীদ কাদরী বাংলা একাডেমী পরিচালিত মযহারুল ইসলাম কবিতা পুরস্কার ২০১২-এ ভূষিত হয়েছে। বুধবার একাডেমীর কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়। যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী কবি শহীদ কাদরীর পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক কায়সার হক। পুরস্কারের সম্মাননাপত্র, ক্রেস্ট এবং পুরস্কারের অর্থমূল্য এক লাখ টাকার চেক তুলে দেন বাংলা একাডেমীর সভাপতি ইমেরিটাস প্রফেসর আনিসুজ্জামান এবং একাডেমীর মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান। অনুষ্ঠানে মযহারুল ইসলামের পরিবারের পক্ষে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক মাহমুদা ইসলাম।