বুলবুল জিতলে যা করবেন

আপডেট : ১৩ জুন ২০১৩, ২৩:০২
মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল : প্রতীক-আনারস, পিতা মৃত: ডা. আব্দুর রশিদ, মাতা: ফাতেমা বেগম, শিক্ষাগত যোগ্যতা:এমএসএস, এলএলবি, পেশা:সাধারণ ব্যবসা। দলীয় পরিচয়:বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ও রাজশাহী মহানগর শাখা যুবদলের আহবায়ক। নির্বাচনে বিজয়ী হলে রাজশাহীর সার্বিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণে আধুনিক রাজশাহী মহানগরী বিনির্মাণে নিম্নোক্ত পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা হবে— ১) রাজশাহী মহানগরবাসীর করের বোঝা যাতে ভারি না হয়, সেজন্য আগামী ৫ বছর কোন কর বা ট্যাক্স বৃদ্ধি করা হবে না। ২) প্রতারণা, মিথ্যা প্রচারণা বন্ধ করে রাজশাহী মহানগরবাসীর ঘরে ঘরে গ্যাস সংযোগের ব্যবস্থা করা হবে। ৩) উন্নয়নের মাস্টার প্লান তৈরি করে নাগরিকদের মৌলিক অধিকার- যেমন, বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ঘরে ঘরে পৌঁছানো, মশক নিধন করা, আবর্জনা পরিষ্কার করা, ড্রেন পরিষ্কার করা, প্রধান সড়কসহ সকল রাস্তায় আলোকায়নসহ সকল নাগরিক সুযোগ-সুবিধা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়া হবে। ৪) রাজশাহী ওয়াসাকে শক্তিশালী করে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। ৫) রাজশাহী মহানগরীর শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা করা, আইনের শাসন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দলমত নির্বিশেষে সকল রাজনৈতিক দল, পেশাজীবী, ব্যবসায়ীসহ সকল শ্রেণীর ব্যক্তিদের নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা। ৬) রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন এবং সকল কাজের টেন্ডার বর্তমানে যে ৩/৪ জন পরিচিত দলীয় ব্যক্তির হাতে জিম্মি হয়ে আছে, তার অবসান ঘটিয়ে আইন অনুযায়ী সর্বস্তরের ঠিকাদারদের মাধ্যমে টেন্ডার করা। ৭) নতুন প্রজন্মের জন্য ভিলেজ এবং বেকার যুবক, ব্যবসায়ী ভাই-বোনদের নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে রাজশাহীতে কৃষিভিত্তিক ইপিজেড স্থাপন করা হবে। ৮) অতীতের ন্যায় সকল মসজিদ, মাদ্রাসা, ঈদগাহ মাঠ, গোরস্থান, মন্দির, মঠ, গির্জাসহ সকল ধর্মীয় উপাসনালয় এবং স্কুল, কলেজ সংস্কার ও উন্নয়ন করা। ৯) রাজশাহীতে ক্রীড়ার মান উন্নয়নের জন্য আন্তর্জাতিক হকি এবং ক্রিকেট ভেন্যু স্থাপন করা হবে। ১০) হতদরিদ্র, গরীব মানুষ, ব্যবসায়ী সমাজ, নারীদের কর্মসংস্থানের জন্য প্রতিটি ওয়ার্ডে বিনাসুদে ৫০,০০০/-টাকা প্রদান (টঘউচ এর মাধ্যমে) এবং ঈউঈ-র মাধ্যমে প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫০ জনকে ১০,০০০/- টাকা করে সাহায্য প্রদান করা হবে। ঝরে পড়া ছিন্নমূল শিশুদের ৫০ জনকে পুনর্বাসন এবং বিনামূল্যে ল্যাট্রিন ও টিউবওয়েল প্রদান করা হবে। ১১) চিত্ত বিনোদনের স্থান তৈরি সংস্কার ও আধুনিকায়ন করা। ১২) মুক্তিযোদ্ধা, ছাত্র-ছাত্রী, বিশিষ্ট সাহিত্যানুরাগী, শিল্পী-কলা-কুশলী, বরেণ্য রাজনৈতিক নেতা, জ্ঞানী আলেম-ওলামায়ে কেরাম, সাংবাদিক নেতৃবৃন্দকে জাতীয় সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করে সিটি কর্পোরেশন থেকে সম্মান এবং মর্যাদা প্রদানের ব্যবস্থা নেয়া হবে। ১৩) রাজশাহী মহানগরীকে আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষা নগরী ঘোষণার বাস্তবায়ন, নতুন আরও বেশ কয়েকটি স্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠা করা। ১৪) রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করে পূর্ণাঙ্গ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়া। ১৫) রাজশাহীতে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করা। ১৬) সাহেব বাজার বড় মসজিদের অসমাপ্ত নির্মাণ কাজ সমাপ্ত করা। ১৭) সিটি কর্পোরেশনকে ‘দলীয় কার্যালয়’ হিসাবে ব্যবহারের প্রচলিত কু-প্রথা বাতিল করে জনগণের সেবাকেন্দ্র হিসেবে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। ১৮) সিটি কর্পোরেশনের অতি মূল্যবান সম্পদ পুরাতন সিটি ভবন দলীয় এমপিকে নামমাত্র মূল্যে বরাদ্দের অভিযোগ, সিটি বাইপাস হাট নিয়ে কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ, উন্নয়ন বরাদ্দের অর্থ দলীয় নেতাদের দ্বারা লুটের অভিযোগ, জনগণের কষ্টের ট্যাক্সের টাকা লুটের সকল অভিযোগ আইন সম্মতভাবে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা। ১৯) মুক্তিযোদ্ধাদের আবাসনের জন্য “মুক্তিযোদ্ধা আবাসন প্রকল্প” বাস্তবায়ন করা। ২০) সাধারণ ব্যবসায়ী সমাজের উন্নতিকল্পে আর.ডি.এ মার্কেটসহ শহরের অন্যান্য মার্কেটের উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন করা।