গঙ্গাচড়ায় অপরিকল্পিতভাবে আশ্রয়ণ কেন্দ্র নির্মাণ

আপডেট : ১৫ জুন ২০১৩, ২৩:২০
রংপুরের গঙ্গাচড়ায় তিস্তার চরাঞ্চলে অপরিকল্পিতভাবে আশ্রয়ণ কেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে সরকারের কোটি কোটি টাকা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশংকা করা হচ্ছে। গত কয়েক বছরে তিস্তার চরাঞ্চলে ১২টি আশ্রয়ণ কেন্দ্র নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এতে সরকারের কোটি কোটি টাকা পানিতে ডুবে গেছে। উপজেলা ত্রাণ অফিস সূত্রে জানা যায়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন উপজেলার কোলকোন্দ ও নোহালী ইউনিয়নে তিস্তার চরাঞ্চলে এ বছর দুটি আশ্রয়ণ কেন্দ্রে মাটি ভরাটের কাজ শেষ হয়েছে। প্রকল্পের নাম দেয়া হয়েছে চর নোহালী ও মটুকপুর আশ্রয়ণ কেন্দ্র। আরো দুটি আশ্রয়ণ কেন্দ্র প্রস্তাবিত রয়েছে। মাটি ভরাট কাজেও ব্যাপক দুর্নীতির মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প চেয়ারম্যান। উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা যায়, বিগত আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সরকারের আমলে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে মোট ২৭টি আশ্রয়ণ কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়। তবে একেক সরকার একেক নাম দেয় এসব প্রকল্প। এর মধ্যে আশ্রয়ণ কেন্দ্র ২০টি, আদর্শ গ্রাম ৫টি ও গুচ্ছ গ্রাম ২টি। বিভিন্ন সময় নির্মিত এসব আশ্রয়ণ কেন্দ্রের মধ্যে তিস্তার চরাঞ্চলে নির্মিত ১২টি আশ্রয়ণ কেন্দ্র অনেক আগে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এসব আশ্রয়ণ কেন্দ্রের এখন কোন অস্তিত্ব নেই। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, বাস্তবায়নাধীন আশ্রয়ণ কেন্দ্র দুটির মাটির কাজ শেষ। আশ্রয়ণ দুটি আদৌ টিকবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নদীর গতি-প্রকৃতি বলা মুশকিল। যেকোন সময় এগুলো ভেঙে যেতে পারে।