লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ৫২ প্রাথমিক বিদ্যালয় জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত করে ভবনগুলোতে পাঠদান বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। এতে অভিভাবকরা আতংকিত হয়ে পড়েছে। অনেকেই তাদের সন্তানদের অন্যত্র ভর্তি করার চেষ্টা করছে। স্থানীয়রা বলেন, এরশাদ সরকারের আমলে এবং পরবর্তী সরকারের আমলে নিম্নমানের উপকরণ দিয়ে নির্মিত ভবনগুলো কয়েক বছর ধরে পিলারে ফাটল ও ছাঁদ খসে পড়তে শুরু করে। ছাঁদ খসে পড়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কয়েকজন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা আহত হলেও কোন কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। সাভারে রানা প্লাজা ধসের পর উপজেলাব্যাপী ধসের আতংক ছড়িয়ে পড়ে। অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের বিদ্যালয়ে যাওয়া বন্ধ করে দেয়। পরিস্থিতি দেখে উপজেলা প্রশাসন, শিক্ষা অফিস সরেজমিনে গিয়ে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণা করে।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ নবীর উদ্দিন জানায়, সরেজমিনে তদন্ত করে ৫২ প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত করায় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পাঠদানে বিকল্প ব্যবস্থা না থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে, পূর্ব সোন্দরা, দক্ষিণ হাজীপুর, দক্ষিণ জগত্পুর, ডোমনদী, উত্তর হাজীপুর, মুক্তারপুর, উত্তর ব্রক্ষপাড়া, নাগমুদ বাজার ও নাগরাজারামপুর রেজিঃ বেসপ্রাবি। মধ্য ভাদুর, নাগমুদ বাজার, বরিয়াশ, আইগানখিল, পানিয়ালা, কালিকাপুর, ভাটরা, পূর্ব শেখপুরা, নিচহরা, উত্তর গ্রাম, বিঞ্চপুর, উত্তর হানুবাইশ, দেহলা, সমেষপুর, নাগমুদ মজিদিয়া, রতনপুর কালিতলা, টামটা নবযুগ, মধ্য আঙ্গারপাড়া, পশ্চিম আঙ্গারপাড়া, জয়পুরা রহমানিয়া, পূর্ব করপাড়া, পূর্ব দরবেশপুর, মধ্য দাসপাড়া, পূর্ব মাসিমপুর, গাজীপুর, দরবেশপুর বালিকা, চন্ডিপুর, পানপাড়া বালিকা, পানপাড়া বাজার, ফতেহপুর, পূর্ব বিঘা, শেফালী পাড়া, জয়পুরা এসআরএম, আইয়েনগর, সোনাপুর আহম্মদিয়া, পশ্চিম শেফালী পাড়া তরুলতা, জগত্পুর, লামচর, চন্ডিপুর জগন্নাতপুর ও নয়নপুর সপ্রবি/বেপ্রবি।
