নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়ায় আওয়ামী লীগ অফিসে ২০০১ সালে বোমা হামলায় আহত তত্কালীন এমপি শামীম ওসমান আক্ষেপ করে বলেছেন, তিনি জনগণের কাজ করতে গিয়ে বার বার গডফাদারের তকমা পেয়েছেন। তার অভিযোগ, নিজের দল ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও কলঙ্ক তিলক এঁটে দেয়ার অপচেষ্টা করা হচ্ছে। তবু সব কিছুই মুখ বুঝে সহ্য করে যাচ্ছি। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, সেদিন (১৬ জুন) মরে গেলেই বেঁচে যেতাম। তাহলে আমাকে নিয়ে প্রতিপক্ষ এত মাতামাতি করার সুযোগ পেত না।
বোমা হামলার একযুগ উপলক্ষে সাংবাদিকদের কাছে দেয়া প্রতিক্রিয়ায় শামীম ওসমান ক্ষোভ প্রকাশ করে গতকাল একথা বলেন। তিনি আরো বলেন, বোমা হামলার চার্জশীটে যাদের নাম এসেছে তাদের কেউ কেউ এখনও প্রশাসনের নাকের ডগা দিয়ে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। দল ও সরকারের স্বার্থে সব কিছু মুখ বুঝে সহ্য করে যাচ্ছি। সহ্যের একটা সীমা আছে। নানা কারণে হূদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। তবুও আমরা আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনার দিকে তাকিয়ে আছি। তার দিক-নির্দেশনার অপেক্ষায় আছি। প্রসঙ্গত, ২০০১ সালের ১৬ জুন চাষাঢ়া আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে শামীম ওসমানের সাথে নেতা-কর্মী ও জনগণের সাথে গণসংযোগ চলাকালে রাত সোয়া আটটার দিকে বোমা হামলা হয় যাতে নিহত হয়েছিল ২০ জন। আহত হয়েছিল অর্ধশতাধিক।
