গ্রিড সচল হলেও লোডশেডিং কমেনি রাজধানীতে

আপডেট : ১৭ জুন ২০১৩, ২৩:০৮
উলন বিদ্যুত্ গ্রিডে আগুন লাগার প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর তা মেরামত করা হয়। তবে রাজধানীর সংশ্লিষ্ট এলাকায় লোডশেডিং কমেনি। গতকাল সোমবার বিকাল ৪টার দিকে গ্রিড লাইনটি মেরামত করে সচল করা হয়। কিন্তু দিনভর নগরীর বিভিন্ন স্থানে ঘনঘন লোডশেডিংয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হন সাধারণ মানুষ। ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি- ডিপিডিসি কর্তৃপক্ষ জানান, প্রচণ্ড গরমের কারণে রাজধানীতে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়েছে। পিডিবি ঢাকায় আড়াই হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদার কথা বললেও বাস্তবে এই চাহিদা প্রায় তিন হাজার মেগাওয়াট। চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুত্ না পাওয়ায় লোড ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা হচ্ছে। রবিবার দুপুরে পাওয়ারগ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ-পিজিসিবি’র উলন গ্রিডে এবং ডিপিডিসি’র সাবস্টেশনে আগুন লাগে। এতে খিলগাঁও ও তালতলার সার্কিট ব্রেকার পুড়ে যায়। রবিবার বিকেলে তালতলা ব্রেকারটি ঠিক হলেও খিলগাঁও ব্রেকার ঠিক হয় সোমবার বিকেল ৪টার দিকে। এরপর বিদ্যুত্ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও নিয়মানুযায়ী লোডশেডিং করা হয়। এদিকে উলন, বনশ্রী, রামপুরা, তালতলা, খিলগাঁও, শান্তিনগর, সিদ্ধেশ্বরী, বেইলী রোড, কাকরাইল, বসুন্ধরা, গোড়ান. ধানমন্ডি, কলাবাগান, গ্রিন রোড, সেগুনবাগিচা এবং এর আশপাশের এলাকায় গতকাল সারাদিনই ঘণ্টায় ঘণ্টায় বিদ্যুত্ চলে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হন। এসব এলাকায় রবিবার রাতেও ঘনঘন লোডশেডিং হয়। পিডিবির হিসাব অনুযায়ী সোমবার সাত হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদার বিপরীতে বিদ্যুত্ উত্পাদন হয়েছে ৬ হাজার ২১০ মেগাওয়াট। এর মধ্যে ঢাকায় লোডশেডিং হয়েছে ৯৫ মেগাওয়াট। এছাড়া চট্টগ্রামে ৪৫, খুলনায় ৪৯, রাজশাহীতে ৪৮, কুমিল্লায় ৩৩, ময়মনসিংহে ২৮, সিলেটে ১৫, বরিশালে ১০ এবং রংপুরে ২৮ মেগাওয়াট লোডশেডিং করা হয়েছে।