প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবারও বিকালে কোরাম সংকটের কারণে নির্ধারিত সময়ের ৩০ মিনিট পর জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ পয়েন্ট অব অর্ডারে ফ্লোর দাবি করেন।
স্পিকার প্রশ্ন রাখেন পয়েন্ট অব অর্ডারে কি বিষয়ে কথা বলতে চান? জবাবে মওদুদ বলেন, আমি ব্যক্তিগত কৈফিয়ত দিতে চাই। স্পিকার বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটের উপর সাধারণ আলোচনা শুরু করতে হবে। এ মুহূর্তে পয়েন্ট অব অর্ডারে ফ্লোর দেয়া সম্ভব হবে না। অবশ্য তিনি বলেন, কয়েকজন মন্ত্রী সংসদে ব্যক্তিগত কৈফিয়ত দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন। স্পিকার হিসাবে এ ব্যাপারে বুধবার সময় দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। স্পিকারের এ সিদ্ধান্ত জানার পর মওদুদ আহমদ আর কোন কথা না বলে নিজের আসনে বসে পড়েন।
টোটালি রাবিশ ও ভোগাস : বিএনপির জয়নাল আবেদীন বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে এক পর্যায়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কণ্ঠে প্রায়ই উচ্চারিত তিনটি ইংরেজি শব্দ স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ‘আমি অর্থমন্ত্রীর ভাষায় বলতে চাই বাজেট ইজ এ টোটালি রাবিশ এন্ড ভোগাস।’ সাথে সাথে বিরোধী দলের সদস্যরা টেবিল চাপড়ে হৈ হৈ শব্দ করলেও সরকারি দলের সদস্যরা ছিলেন নিশ্চুপ।
কিয়ামত পর্যন্ত ক্ষমতায় : সরকারি দলের আলহাজ্ব দবিরুল ইসলাম বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে বিরোধী দলের সদস্যদের উদ্দেশ্যে কয়েকটি মন্তব্য ছুঁড়ে দেন। তিনি বলেন, কোন লাভ নেই। আওয়ামী লীগ কিয়ামত পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকবে। বিরোধী দলের কয়েকজন হাত নাড়লে দবিরুল বলেন, জ্বি কিয়ামত পর্যন্ত।
সময় দিন, আমি নতুন : বাজেটের উপর সাধারণ আলোচনার প্রথম বক্তা ছিলেন সরকারি দলের মোহাম্মদ সুবিদ আলী ভুঁইয়া। তিনি নির্ধারিত সময়ে লিখিত বক্তব্য শেষ করতে না পেরে স্পিকারের নিকট পাঁচ মিনিট অতিরিক্ত সময় প্রার্থনা করেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মাননীয় স্পিকার আমি নতুন এমপি। আমাকে সময় বাড়িয়ে দিন।
