ঝিনাইদহ সদর উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রুহুল আমিন বিশ্বাস হত্যাকাণ্ডের ৪০ ঘণ্টা পর গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে ঝিনাইদহ সদর থানায় মামলা হয়েছে। নিহত ইউপি চেয়ারম্যানের দ্বিতীয় স্ত্রী বেবী নাজনিন এ মামলা করেন। এতে সদর উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক রবিউল ইসলাম রবিকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।
ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি কাজী জালালউদ্দিন আহমেদ জানান, সোমবার রাতে বেবী নাজনিন ও চেয়ারম্যানের প্রথমপক্ষের স্ত্রীর ছেলে তুহিন মামলা দিতে আসেন। মামলার বাদী কে হবেন এ নিয়ে দুজনের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে হাতাহাতির উপক্রম হয়। ওসি তাদের দুজনকে ফিরিয়ে দেন। মঙ্গলবার দুপুরে বেবী নাজনিন মামলা করেন। রবিউলসহ মোট ১৯ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে সন্ত্রাসী ছাড়াও আওয়ামী লীগের কয়েকজন কর্মীর নাম রয়েছে। গ্রেফতারের স্বার্থে বাকি আসামিদের নাম বলতে রাজি হননি তিনি।
রবিবার রাতে ঝিনাইদহ শহরের হামদো এলাকায় সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে ও বোমা মেরে রুহুল আমিনকে হত্যা করে। তিনি এক সময় চরমপন্থি রাজনৈতিক দলের ক্যাডার ছিলেন। ২০০৮ সালে জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পর আওয়ামী লীগে যোগ দেন।
