কানাডায় ফ্রন্ট পেজে ববিতা

আপডেট : ১৯ জুন ২০১৩, ২০:১১
টরন্টোর মূলধারার ডেইলি টরন্টো স্টারের প্রথম পাতায় বিশাল ছবিসহ তুলে ধরা হয়েছে বাংলাদেশের ববিতাকে। চমকে যাওয়ার মতো খবর! যার শিরোনাম ‘বাংলাদেশি সুপারস্টার এনজয়েজ ‘নরমাল’ লাইফ ইন ওন্টারিও’। উল্লেখ্য, ববিতার মেধাবী ছেলে অণিক ইসলাম এবার ওয়াটার লু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করলেন। সেই জন্য গত শনিবার ববিতা উপস্থিত ছিলেন অণিকের কনভোকেশন অনুষ্ঠানে। টরন্টো স্টারের এই আলোচিত প্রতিবেদনে ববিতার জীবন যাপন উপস্থাপন করা হয়। বলা হয়, ঢাকায় তার আলিশান বাড়ি, অনেক কাজের মানুষ, নিজের কোনো পরিশ্রম করতে হয় না। তারপরও ঢাকার জীবন একধরনের ‘বন্দি জীবন’। খ্যাতির বিড়ম্বনায় একজন সাধারণ মানুষের পরিপূর্ণতা নিয়ে স্বাধীনভাবে সেখানে চলাফেরা করতে পারেন না। আর কানাডায় এসে ছেলের ছাত্রাবাসে অতিরিক্ত আরেকটি রুম ভাড়া নিয়ে নিজের হাতে কেনাকাটা, রান্না অর্থাত্ নিজের কাজগুলো নিজে করছেন, ছেলেকে দেখাশোনা করছেন, নিজের মতো করে বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, কেউ ভিড়-বিরক্ত করছে না। এই স্বাধীনতায় রয়েছে একটা আলাদা আনন্দ। এ সম্পর্কে চব্বিশ বছরের অণিক তার মা সম্পর্কে বলেন, ‘মা যখন কানাডায় তখন তিনি পুরোপুরি একজন মা। আর যখন বাংলাদেশে যান, তখন একজন ‘অভিনেত্রী’ হয়ে যান।’ দীর্ঘ প্রতিবেদনে ববিতাকে ‘সিল মাদার’ উল্লেখ করে বলা হয়, অস্কার পাওয়া সত্যজিত্ রায়ের ছবি ‘অশনি সংকেত’-এ ববিতা অভিনয় করেছেন। দুশ’ র উপরে ছবিতে অভিনয় করা ববিতা চলচ্চিত্রে অভিনয়ে অনিয়মিত হলেও ব্যক্তিগতভাবে একেবারে বসে নেই। এখন সমাজ সেবায় নিবেদিত। এসিডদগ্ধ নারীদের জন্য সংস্থা ‘এসিড সারভাইভরস ফাউন্ডেশন’-এর সঙ্গে জড়িত এবং ‘ডিসট্রেসড চিলড্রেন-এ ইনফ্যান্ট সোসাইটি’র গুডউইল অ্যাম্বাসাডার হিসেবে কাজ করছেন।